Amal

দোয়া ও আমল

কখন কী পড়তে হয়: নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যা, দৈনন্দিন জীবন, বিপদ, পরিবার

"যাচাই বাকি" চিহ্নিত লেখাগুলো পরিবার ও একজন আলেমের যাচাই হচ্ছে। কোনো শব্দ ভরসা করার আগে ছাপা কিতাবের সাথে মিলিয়ে নিন।

ইস্তিগফার

ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর ৩ বার

৩ বার

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আসতাগফিরুল্লা-হ।

অর্থ

আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম

ফরজ নামাজের পর, ইস্তিগফারের পরে

اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া-যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনিই শান্তিদাতা, আপনার কাছ থেকেই শান্তি আসে। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

আয়াতুল কুরসী

প্রতি ফরজ নামাজের পর

ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ূম, লা- তা’খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়া লা- নাউম, লাহূ মা- ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়া মা- ফিল আরদ, মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহ, ইয়া‘লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়া মা- খালফাহুম, ওয়া লা- ইউহী-ত্বূনা বিশাইয়িম মিন ‘ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ, ওয়াসি‘আ কুরসিইয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ, ওয়া লা- ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল ‘আযী-ম।

অর্থ

আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। কে সেই ব্যক্তি যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করে? তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়, তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে করেন সেটুকু ছাড়া। তাঁর কুরসী আকাশ ও পৃথিবী পরিবেষ্টন করে আছে এবং এ দু’য়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, তিনি উচ্চ মর্যাদাশীল, মহান।

সূত্র: কুরআন ২:২৫৫ (নামাজের পর পড়ার ফজিলত হাদীসে এসেছে; হাদীসের সূত্র যাচাই বাকি)

তাসবীহ

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

سُبْحَانَ اللَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-নাল্লা-হ।

অর্থ

আল্লাহ পবিত্র।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাহমীদ

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

الْحَمْدُ لِلَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আলহামদুলিল্লা-হ।

অর্থ

সকল প্রশংসা আল্লাহর।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাকবীর

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

اللَّهُ أَكْبَرُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হু আকবার।

অর্থ

আল্লাহ সর্বমহান।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাওহীদের জিকির

৩৩+৩৩+৩৩ পূর্ণ করার পর

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণযাচাই বাকি

লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা-শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদী-র।

অর্থ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

সূরা ইখলাস

নামাজের পর (ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার)

قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূ কুফুওয়ান আহাদ।

অর্থ

বল, তিনি আল্লাহ, এক অদ্বিতীয়, আল্লাহ কোন কিছুর মুখাপেক্ষী নন, সবই তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেন না, আর তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নয়।

সূত্র: কুরআন ১১২; তিনবার পড়ার কথা হাদীসে এসেছে (সূত্র যাচাই বাকি)

সূরা ফালাক

নামাজের পর

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিং শাররি মা-খালাক্ব। ওয়া মিং শাররি গা-সিক্বিন ইযা-ওয়াক্বাব। ওয়া মিং শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিং শাররি হা-সিদিন ইযা-হাসাদ।

অর্থ

বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি সকাল বেলার রব-এর, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে, আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এবং (জাদু করার উদ্দেশ্যে) গিরায় ফুৎকারকারিণীদের অনিষ্ট হতে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।

সূত্র: কুরআন ১১৩

সূরা নাস

নামাজের পর

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ مَلِكِ ٱلنَّاسِ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স। মালিকিন না-স। ইলা-হিন না-স। মিং শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াসবিসু ফী সুদূরিন না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।

অর্থ

বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের প্রতিপালকের, মানুষের অধিপতির, মানুষের প্রকৃত ইলাহর, যে নিজেকে লুকিয়ে রেখে বার বার এসে কুমন্ত্রণা দেয় তার অনিষ্ট হতে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে (এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জিন্নের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে।

সূত্র: কুরআন ১১৪