Amal

দোয়া ও আমল

কখন কী পড়তে হয়: নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যা, দৈনন্দিন জীবন, বিপদ, পরিবার

"যাচাই বাকি" চিহ্নিত লেখাগুলো পরিবার ও একজন আলেমের যাচাই হচ্ছে। কোনো শব্দ ভরসা করার আগে ছাপা কিতাবের সাথে মিলিয়ে নিন।

ইস্তিগফার

ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর ৩ বার

৩ বার

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আসতাগফিরুল্লা-হ।

অর্থ

আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম

ফরজ নামাজের পর, ইস্তিগফারের পরে

اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া-যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনিই শান্তিদাতা, আপনার কাছ থেকেই শান্তি আসে। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

আয়াতুল কুরসী

প্রতি ফরজ নামাজের পর

ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ূম, লা- তা’খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়া লা- নাউম, লাহূ মা- ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়া মা- ফিল আরদ, মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহ, ইয়া‘লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়া মা- খালফাহুম, ওয়া লা- ইউহী-ত্বূনা বিশাইয়িম মিন ‘ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ, ওয়াসি‘আ কুরসিইয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ, ওয়া লা- ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল ‘আযী-ম।

অর্থ

আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। কে সেই ব্যক্তি যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করে? তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়, তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে করেন সেটুকু ছাড়া। তাঁর কুরসী আকাশ ও পৃথিবী পরিবেষ্টন করে আছে এবং এ দু’য়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, তিনি উচ্চ মর্যাদাশীল, মহান।

সূত্র: কুরআন ২:২৫৫ (নামাজের পর পড়ার ফজিলত হাদীসে এসেছে; হাদীসের সূত্র যাচাই বাকি)

তাসবীহ

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

سُبْحَانَ اللَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-নাল্লা-হ।

অর্থ

আল্লাহ পবিত্র।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাহমীদ

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

الْحَمْدُ لِلَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আলহামদুলিল্লা-হ।

অর্থ

সকল প্রশংসা আল্লাহর।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাকবীর

ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার

৩৩ বার

اللَّهُ أَكْبَرُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হু আকবার।

অর্থ

আল্লাহ সর্বমহান।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

তাওহীদের জিকির

৩৩+৩৩+৩৩ পূর্ণ করার পর

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণযাচাই বাকি

লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা-শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদী-র।

অর্থ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

সূরা ইখলাস

নামাজের পর (ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার)

قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূ কুফুওয়ান আহাদ।

অর্থ

বল, তিনি আল্লাহ, এক অদ্বিতীয়, আল্লাহ কোন কিছুর মুখাপেক্ষী নন, সবই তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেন না, আর তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নয়।

সূত্র: কুরআন ১১২; তিনবার পড়ার কথা হাদীসে এসেছে (সূত্র যাচাই বাকি)

সূরা ফালাক

নামাজের পর

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিং শাররি মা-খালাক্ব। ওয়া মিং শাররি গা-সিক্বিন ইযা-ওয়াক্বাব। ওয়া মিং শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিং শাররি হা-সিদিন ইযা-হাসাদ।

অর্থ

বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি সকাল বেলার রব-এর, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে, আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এবং (জাদু করার উদ্দেশ্যে) গিরায় ফুৎকারকারিণীদের অনিষ্ট হতে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।

সূত্র: কুরআন ১১৩

সূরা নাস

নামাজের পর

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ مَلِكِ ٱلنَّاسِ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স। মালিকিন না-স। ইলা-হিন না-স। মিং শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াসবিসু ফী সুদূরিন না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।

অর্থ

বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের প্রতিপালকের, মানুষের অধিপতির, মানুষের প্রকৃত ইলাহর, যে নিজেকে লুকিয়ে রেখে বার বার এসে কুমন্ত্রণা দেয় তার অনিষ্ট হতে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে (এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জিন্নের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে।

সূত্র: কুরআন ১১৪

ঘুম থেকে উঠে

ঘুম থেকে জাগার পর

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আহইয়া-না- বা‘দা মা-আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন নুশূর।

অর্থ

সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের মৃত্যুর (ঘুমের) পর জীবিত করেছেন, আর তাঁর কাছেই পুনরুত্থান।

সূত্র: সহীহ বুখারী

ঘুমানোর সময়

বিছানায় শোয়ার সময়

بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিকাল্লা-হুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনার নামেই আমি মরি (ঘুমাই) এবং বেঁচে উঠি (জাগি)।

সূত্র: সহীহ বুখারী

খাওয়ার আগে

খাবার শুরু করার সময়। ভুলে গেলে মনে পড়লে: বিসমিল্লা-হি আউওয়ালাহূ ওয়া আ-খিরাহ

بِسْمِ اللَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিল্লা-হ।

অর্থ

আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

খাওয়ার পরে

খাওয়া শেষে

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত‘আমানী হা-যা- ওয়া রাযাকানীহি মিন গাইরি হাউলিম মিন্নী ওয়া লা-কুওওয়াহ।

অর্থ

সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে এই খাবার খাওয়ালেন এবং আমার কোনো শক্তি ও সামর্থ্য ছাড়াই তা আমাকে দান করলেন।

সূত্র: আবূ দাঊদ ও তিরমিযী

টয়লেটে ঢোকার সময়

বাম পা দিয়ে ঢোকার আগে

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবা-ইস।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অপবিত্র জিন (পুরুষ ও নারী) থেকে আশ্রয় চাই।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম

টয়লেট থেকে বের হয়ে

ডান পা দিয়ে বের হয়ে

غُفْرَانَكَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

গুফরা-নাক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার ক্ষমা চাই।

সূত্র: আবূ দাঊদ ও তিরমিযী

ঘর থেকে বের হওয়ার সময়

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়

بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিল্লা-হি তাওয়াক্কালতু ‘আলাল্লা-হ, ওয়া লা-হাওলা ওয়া লা-কুওওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ।

অর্থ

আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি), আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

সূত্র: আবূ দাঊদ ও তিরমিযী

ঘরে ঢোকার সময়

বাড়িতে ঢোকার সময়, তারপর পরিবারকে সালাম দিন

بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا، وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا، وَعَلَى رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিল্লা-হি ওয়ালাজনা-, ওয়া বিসমিল্লা-হি খারাজনা-, ওয়া ‘আলা রাব্বিনা- তাওয়াক্কালনা-।

অর্থ

আল্লাহর নামে আমরা প্রবেশ করলাম, আল্লাহর নামে বের হলাম এবং আমাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা করলাম।

সূত্র: আবূ দাঊদ

হাঁচি দিলে

হাঁচি দেওয়ার পর

الْحَمْدُ لِلَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আলহামদুলিল্লা-হ।

অর্থ

সকল প্রশংসা আল্লাহর। (শ্রোতা বলবে: ইয়ারহামুকাল্লা-হ; উত্তরে: ইয়াহদীকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম।)

সূত্র: সহীহ বুখারী

রাগ হলে

রাগ উঠলে, চুপ থেকে অজু করাও উত্তম

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজী-ম।

অর্থ

আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম

বৃষ্টির সময়

বৃষ্টি দেখলে

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা সাইয়্যিবান না-ফি‘আ।

অর্থ

হে আল্লাহ! এই বৃষ্টিকে উপকারী করুন।

সূত্র: সহীহ বুখারী

অসুস্থকে দেখতে গিয়ে

রোগীকে দেখতে গিয়ে

لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

লা-বা’সা তুহূরুন ইনশা-আল্লা-হ।

অর্থ

ভয় নেই, ইনশাআল্লাহ এটি (রোগ) গুনাহ থেকে পবিত্রকারী।

সূত্র: সহীহ বুখারী

বিপদ বা মৃত্যুর সংবাদে

কোনো বিপদ বা মৃত্যুর খবর পেলে

ٱلَّذِينَ إِذَآ أَصَٰبَتْهُم مُّصِيبَةٌۭ قَالُوٓا۟ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّآ إِلَيْهِ رَٰجِعُونَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাইহি রা-জি‘ঊন।

অর্থ

নিশ্চয়ই যারা বিপদকালে বলে থাকে, ‘আমরা আল্লাহরই আর আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী’।

সূত্র: কুরআন ২:১৫৬

বাহনে চড়ার দোয়া

গাড়ি, বিমান বা অন্য বাহনে ওঠার সময়

لِتَسْتَوُۥا۟ عَلَىٰ ظُهُورِهِۦ ثُمَّ تَذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا ٱسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا۟ سُبْحَٰنَ ٱلَّذِى سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقْرِنِينَ وَإِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

Litastawoo AAala thuhoorihithumma tathkuroo niAAmata rabbikum itha istawaytumAAalayhi wataqooloo subhana allathee sakhkhara lanahatha wama kunna lahu muqrineen Wa-inna ila rabbinalamunqaliboon

অর্থ

যাতে তোমরা যখন তাদের পিঠে স্থির হয়ে বস, তখন যেন তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর আর বল- মহান ও পবিত্র তিনি যিনি, এগুলোকে আমাদের (ব্যবহারের জন্য) বশীভূত করে দিয়েছেন, আমরা এগুলোকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের প্রতিপালকের দিকে ফিরে যেতে হবে।

সূত্র: কুরআন ৪৩:১৩-১৪

ইউনুস (আ.)-এর দোয়া

বড় বিপদ ও কষ্টে

وَذَا ٱلنُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَٰضِبًۭا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِى ٱلظُّلُمَٰتِ أَن لَّآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحَٰنَكَ إِنِّى كُنتُ مِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

লা-ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমী-ন।

অর্থ

স্মরণ কর যুন্-নুন এর কথা- যখন সে গোস্বাভরে চলে গিয়েছিল, আর ভেবেছিল যে তার উপর আমার কোন ক্ষমতা খাটবে না। অতঃপর সে (সমুদ্রের) গভীর অন্ধকার থেকে ডেকেছিল যে, তুমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তোমারই পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা করছি; বাড়াবাড়ি আমিই করেছি।

সূত্র: কুরআন ২১:৮৭ (হাদীসে এই দোয়ার ফজিলত এসেছে; সূত্র যাচাই বাকি)

হাসবুনাল্লাহ

ভয়, চাপ বা বিপদের সময়

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি‘মাল ওয়াকী-ল।

অর্থ

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।

সূত্র: কুরআন ৩:১৭৩ ও সহীহ বুখারী

কষ্টের সময়ের দোয়া

দুশ্চিন্তা বা কষ্টের সময়

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ‘আযী-মুল হালী-ম, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুল ‘আরশিল ‘আযী-ম, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রাব্বুল আরদি ওয়া রাব্বুল ‘আরশিল কারী-ম।

অর্থ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহান, ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহান আরশের প্রতিপালক। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি আসমানসমূহ, জমিন ও সম্মানিত আরশের প্রতিপালক।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম

দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে আশ্রয়

দুশ্চিন্তা, মন খারাপ বা ঋণের চাপে

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবন, ওয়া দালা‘ইদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও কাপুরুষতা থেকে, ঋণের বোঝা ও মানুষের চাপ থেকে।

সূত্র: সহীহ বুখারী

ঋণমুক্তির দোয়া

ঋণ থাকলে বা আর্থিক সংকটে

اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা ‘আন হারা-মিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়া-ক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনার হালাল দিয়ে আমাকে হারাম থেকে যথেষ্ট করুন এবং আপনার অনুগ্রহে আপনি ছাড়া অন্যদের থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করুন।

সূত্র: তিরমিযী

কাজ সহজ হওয়ার দোয়া (মূসা আ.)

কঠিন কাজ, পরীক্ষা বা বক্তব্যের আগে

قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى

উচ্চারণযাচাই বাকি

Qala rabbi ishrah lee sadree Wayassir lee amree Wahlul AAuqdatan min lisanee Yafqahoo qawlee

অর্থ

মূসা বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য আমার বক্ষকে প্রশস্ত করে দাও আর আমার জন্য আমার কাজকে সহজ করে দাও। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দাও। যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

সূত্র: কুরআন ২০:২৫-২৮

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ

যেকোনো সময়, বিশেষ করে তাওয়াফ ও দোয়ার শেষে

وَمِنْهُم مَّن يَقُولُ رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا حَسَنَةًۭ وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ حَسَنَةًۭ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাব্বানা- আ-তিনা- ফিদ দুনইয়া- হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আ-খিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া ক্বিনা- ‘আযা-বান না-র।

অর্থ

লোকেদের মধ্যে কিছু লোক এমন আছে, যারা বলে থাকে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দাও এবং আখেরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব হতে রক্ষা কর।

সূত্র: কুরআন ২:২০১

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত

রাতে ঘুমানোর আগে

ءَامَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا ٱكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًۭا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَٱعْفُ عَنَّا وَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلَىٰنَا فَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَٰفِرِينَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

Amana arrasoolu bimaonzila ilayhi min rabbihi walmu/minoona kullun amanabillahi wamala-ikatihi wakutubihiwarusulihi la nufarriqu bayna ahadin min rusulihiwaqaloo samiAAna waataAAna ghufranakarabbana wa-ilayka almaseer La yukallifu Allahu nafsanilla wusAAaha laha ma kasabatwaAAalayha ma iktasabat rabbana latu-akhithna in naseena aw akhta/narabbana wala tahmil AAalayna isrankama hamaltahu AAala allatheena minqablina rabbana wala tuhammilnama la taqata lana bihi waAAfuAAanna waghfir lana warhamnaanta mawlana fansurna AAalaalqawmi alkafireen

অর্থ

রসূল (সাঃ) তার প্রতিপালকের পক্ষ হতে যা তার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান এনেছে এবং মু’মিনগণও। তারা সবাই আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাবসমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, (তারা বলে), ‘আমরা রসূলগণের মধ্যে কারও ব্যাপারে তারতম্য করি না’ এবং তারা এ কথাও বলে যে, ‘আমরা শুনেছি এবং মেনে নিয়েছি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা কর আর প্রত্যাবর্তন তোমারই দিকে’। আল্লাহ কোন ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু আরোপ করেন না, সে ভাল যা করেছে সে তার সওয়াব পাবে এবং স্বীয় মন্দ কৃতকর্মের জন্য সে নিজেই নিগ্রহ ভোগ করবে। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তাহলে আমাদেরকে পাকড়াও করো না, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের আগের লোকেদের উপর যেমন গুরু-দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না; হে আমাদের প্রতিপালক! যে ভার বহনের ক্ষমতা আমাদের নেই, এমন ভার আমাদের উপর চাপিয়ে দিও না, (ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করে) আমাদেরকে রেহাই দাও, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর; তুমিই আমাদের প্রতিপালক, কাজেই আমাদেরকে কাফিরদের উপর জয়যুক্ত কর।

সূত্র: কুরআন ২:২৮৫-২৮৬ (ফজিলত হাদীসে এসেছে; সূত্র যাচাই বাকি)

স্ত্রী ও সন্তানের জন্য দোয়া

পরিবারের জন্য, বিশেষ করে সন্তানদের জন্য

وَٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍۢ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাব্বানা- হাবলানা- মিন আযওয়া-জিনা- ওয়া যুররিইয়্যা-তিনা- কুররাতা আ‘ইউনিঁও ওয়াজ‘আলনা- লিলমুত্তাকী-না ইমা-মা।

অর্থ

আর যারা প্রার্থনা করে : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও।

সূত্র: কুরআন ২৫:৭৪

বাবা-মায়ের জন্য দোয়া

বাবা-মায়ের জন্য, জীবিত বা মৃত

وَٱخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًۭا

উচ্চারণযাচাই বাকি

Wakhfid lahuma janahaaththulli mina arrahmati waqulrabbi irhamhuma kama rabbayanee sagheera

অর্থ

তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন।’

সূত্র: কুরআন ১৭:২৪

নামাজ কায়েম ও সন্তানদের জন্য (ইবরাহীম আ.)

নিজে ও সন্তানরা নামাজে অটল থাকার জন্য

رَبِّ ٱجْعَلْنِى مُقِيمَ ٱلصَّلَوٰةِ وَمِن ذُرِّيَّتِى ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآءِ رَبَّنَا ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ ٱلْحِسَابُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

Rabbi ijAAalnee muqeema assalatiwamin thurriyyatee rabbana wtaqabbal duAAa/- Rabbana ighfir lee waliwalidayyawalilmu/mineena yawma yaqoomu alhisab

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে নামায প্রতিষ্ঠাকারী বানাও আর আমার সন্তানদেরকেও, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমার প্রার্থনা কবূল কর। হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব গ্রহণের দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে আর মু’মিনদেরকে ক্ষমা করে দিও,

সূত্র: কুরআন ১৪:৪০-৪১

সন্তানদের হেফাজতের দোয়া

সন্তানদের ঘুমানোর আগে বা অসুস্থ হলে (একজনের জন্য বললে ‘উ‘ঈযুকা’)

أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

উচ্চারণযাচাই বাকি

উ‘ঈযুকুমা- বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা-নিঁও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিল লা-ম্মাহ।

অর্থ

আমি তোমাদের উভয়কে আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয়ে দিচ্ছি, প্রত্যেক শয়তান, ক্ষতিকর প্রাণী এবং প্রত্যেক অনিষ্টকারী নজর থেকে।

সূত্র: সহীহ বুখারী

আদম ও হাওয়া (আ.)-এর তাওবার দোয়া

গুনাহ হয়ে গেলে তাওবা ও ক্ষমা চাইতে

قَالَا رَبَّنَا ظَلَمْنَآ أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাব্বানা- যালামনা- আনফুসানা- ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা- ওয়া তারহামনা- লানাকূনান্না মিনাল খা-সিরী-ন।

অর্থ

তারা বলল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি অন্যায় করে ফেলেছি, যদি তুমি আমাদেরকে ক্ষমা না কর আর দয়া না কর তাহলে আমরা অবশ্য অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।’

সূত্র: কুরআন ৭:২৩

হিদায়াতের ওপর অটল থাকার দোয়া

অন্তর সঠিক পথে স্থির রাখতে

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْوَهَّابُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাব্বানা- লা-তুযিগ কুলূবানা- বা‘দা ইয হাদাইতানা- ওয়া হাব লানা- মিল লাদুনকা রাহমাহ, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! সৎ পথ প্রদর্শনের পরে তুমি আমাদের অন্তরগুলোকে বক্র করে দিও না, আমাদেরকে তোমার নিকট হতে রহমত প্রদান কর, মূলতঃ তুমিই মহান দাতা।

সূত্র: কুরআন ৩:৮

সানা

তাকবীরে তাহরীমার পর, প্রথম রাকাতে

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবা-রাকাসমুকা, ওয়া তা‘আ-লা জাদ্দুকা, ওয়া লা-ইলা-হা গাইরুক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, আপনার প্রশংসাসহ। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মর্যাদা সুউচ্চ, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

রুকুর তাসবীহ

রুকুতে ৩ বার

৩ বার

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-না রাব্বিয়াল ‘আযী-ম।

অর্থ

আমার মহান প্রতিপালক পবিত্র।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

রুকু থেকে ওঠার সময়

রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর সময়

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, রাব্বানা-লাকাল হামদ।

অর্থ

যে আল্লাহর প্রশংসা করে আল্লাহ তা শোনেন। হে আমাদের প্রতিপালক, সকল প্রশংসা আপনারই।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

সিজদার তাসবীহ

প্রতি সিজদায় ৩ বার

৩ বার

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-না রাব্বিয়াল আ‘লা।

অর্থ

আমার সর্বোচ্চ প্রতিপালক পবিত্র।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

দুই সিজদার মাঝে

দুই সিজদার মাঝখানে বসে

رَبِّ اغْفِرْ لِي

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাব্বিগফিরলী।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক, আমাকে ক্ষমা করুন।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

আত্তাহিয়্যাতু (তাশাহহুদ)

প্রতি দুই রাকাতের বৈঠকে

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস সালাওয়া-তু ওয়াত তাইয়্যিবা-ত, আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহূ, আসসালা-মু ‘আলাইনা- ওয়া ‘আলা- ‘ইবা-দিল্লা-হিস সা-লিহী-ন, আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহ।

অর্থ

সকল সম্মান, নামাজ ও পবিত্র কথা আল্লাহর জন্য। হে নবী, আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

দরূদে ইবরাহীম

শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিঁও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরা-হী-মা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরা-হী-ম, ইন্নাকা হামী-দুম মাজী-দ। আল্লা-হুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিঁও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইবরা-হী-মা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরা-হী-ম, ইন্নাকা হামী-দুম মাজী-দ।

অর্থ

হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ ও তাঁর পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর পরিবারের ওপর করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ﷺ ও তাঁর পরিবারের ওপর বরকত দিন, যেমন ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর পরিবারের ওপর দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

দোয়া মাসূরা

দরূদের পর, সালাম ফেরানোর আগে

اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী যুলমান কাসী-রাঁও ওয়া লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহামনী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহী-ম।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি নিজের ওপর অনেক জুলুম করেছি, আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূত্র: সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

দোয়া কুনূত

বিতর নামাজের তৃতীয় রাকাতে (হানাফি মাজহাব)

اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ، اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা ইন্না-নাসতা‘ঈ-নুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা ওয়া নুমিনু বিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু ‘আলাইকা ওয়া নুসনী ‘আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা-নাকফুরুকা ওয়া নাখলাউ ওয়া নাতরুকু মাঁই ইয়াফজুরুক। আল্লা-হুম্মা ইইয়া-কা না‘বুদু ওয়া লাকা নুসাল্লী ওয়া নাসজুদু ওয়া ইলাইকা নাসআ-, ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজূ রাহমাতাকা ওয়া নাখশা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিলকুফফা-রি মুলহিক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার সাহায্য চাই, ক্ষমা চাই, আপনার ওপর ঈমান রাখি ও ভরসা করি এবং উত্তমভাবে আপনার প্রশংসা করি। আমরা আপনার কৃতজ্ঞতা জানাই, অকৃতজ্ঞ হই না। যে আপনার অবাধ্য হয় আমরা তাকে ত্যাগ করি। হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদত করি, আপনার জন্যই নামাজ পড়ি ও সিজদা করি, আপনার দিকেই দ্রুত অগ্রসর হই, আপনার রহমতের আশা করি ও আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয়ই আপনার শাস্তি কাফিরদের ওপর পতিত হবে।

সূত্র: ফিকহের কিতাবে প্রচলিত (সূত্র যাচাই বাকি)

সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার

সকালে ও সন্ধ্যায়

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা আনতা রাব্বী লা-ইলা-হা ইল্লা আনতা, খালাকতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাতা‘তু, আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা-সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযানবী ফাগফিরলী, ফা-ইন্নাহূ লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনিই আমার প্রতিপালক, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। আমি সাধ্যমতো আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর আছি। আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমার ওপর আপনার নিয়ামত স্বীকার করছি, আমার গুনাহও স্বীকার করছি; তাই আমাকে ক্ষমা করুন, কারণ আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

সূত্র: সহীহ বুখারী

নিরাপত্তার দোয়া

সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার

৩ বার

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-ইয়াদুররু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা-ফিস সামা-য়ি ওয়া হুওয়াস সামী-‘উল ‘আলী-ম।

অর্থ

আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

সূত্র: আবূ দাঊদ ও তিরমিযী

সন্তুষ্টির ঘোষণা

সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার

৩ বার

رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا

উচ্চারণযাচাই বাকি

রাদী-তু বিল্লা-হি রাব্বাঁও ওয়া বিল ইসলা-মি দী-নাঁও ওয়া বিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যা।

অর্থ

আমি আল্লাহকে প্রতিপালক, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ ﷺ-কে নবী হিসেবে মেনে সন্তুষ্ট।

সূত্র: আবূ দাঊদ ও তিরমিযী

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী

সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার

১০০ বার

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী।

অর্থ

আল্লাহ পবিত্র, আমি তাঁর প্রশংসা করছি।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

অজুর শুরুতে

অজু শুরু করার সময়

بِسْمِ اللَّهِ

উচ্চারণযাচাই বাকি

বিসমিল্লা-হ।

অর্থ

আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।

সূত্র: হাদীসে বর্ণিত (সূত্র যাচাই বাকি)

অজুর শেষে

অজু শেষ করে

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা-শারীকা লাহূ, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহ।

অর্থ

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আর সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

মসজিদে প্রবেশের দোয়া

ডান পা দিয়ে মসজিদে ঢোকার সময়

اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মাফতাহ লী আবওয়া-বা রাহমাতিক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া

বাম পা দিয়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময়

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিক।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।

সূত্র: সহীহ মুসলিম

আযানের পরের দোয়া

আযানের জবাব দেওয়া ও দরূদ পড়ার পর

اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ

উচ্চারণযাচাই বাকি

আল্লা-হুম্মা রাব্বা হা-যিহিদ দা‘ওয়াতিত তা-ম্মাহ, ওয়াস সালা-তিল কা-ইমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসী-লাতা ওয়াল ফাদী-লাহ, ওয়াব‘আসহু মাকা-মাম মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আদতাহ।

অর্থ

হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত নামাজের প্রতিপালক! মুহাম্মাদ ﷺ-কে ওয়াসীলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করুন এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছান যার প্রতিশ্রুতি আপনি দিয়েছেন।

সূত্র: সহীহ বুখারী