2. Purity
১১৪টি হাদীস
- মুওয়াত্তা মালিক 112Salim al-Hilali: Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، غَدَا إِلَى أَرْضِهِ بِالْجُرُفِ فَوَجَدَ فِي ثَوْبِهِ احْتِلاَمًا فَقَالَ لَقَدِ ابْتُلِيتُ بِالاِحْتِلاَمِ مُنْذُ وُلِّيتُ أَمْرَ النَّاسِ . فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ مَا رَأَى فِي ثَوْبِهِ مِنَ الاِحْتِلاَمِ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ أَنْ طَلَعَتِ الشَّمْسُ .
রেওয়ায়ত ৮১. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) দিনের প্রথমাংশে জুরুফ নামক স্থানে অবস্থিত তাহার জমির দিকে গমন করিলেন। তিনি তাহার কাপড়ে স্বপ্লদোষের আলামত দেখিতে পাইলেন। তিনি বলিলেনঃ যখন হইতে লোকের দায়িত্ব আমার উপর ন্যস্ত করা হইয়াছে, তখন হইতে আমি ইহতিলামে লিপ্ত হইয়াছি। তারপর তিনি গোসল করিলেন এবং তাহার কাপড়ে স্বপ্নদোষের যা আলামত দেখিলেন উহ ধুইলেন। তারপর সূর্য ওঠার পর তিনি নামায পড়িলেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 113Salim al-Hilali: Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، صَلَّى بِالنَّاسِ الصُّبْحَ ثُمَّ غَدَا إِلَى أَرْضِهِ بِالْجُرُفِ فَوَجَدَ فِي ثَوْبِهِ احْتِلاَمًا فَقَالَ إِنَّا لَمَّا أَصَبْنَا الْوَدَكَ لاَنَتِ الْعُرُوقُ . فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ الاِحْتِلاَمَ مِنْ ثَوْبِهِ وَعَادَ لِصَلاَتِهِ .
রেওয়ায়ত ৮২. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) লোকের সহিত (জামাতে) ফজরের নামায পড়িলেন, অতঃপর সকালবেলা জুরুফ'-এ (جرف) অবস্থিত তাহার জমির দিকে গমন করিলেন। তারপর তাহার কাপড়ে ইহতিলামের (চিহ্ন) দেখিতে পাইলেন। তিনি বলিলেনঃ আমরা চর্বি (চর্বিযুক্ত খাদ্যদ্রব্য) যখন হইতে আহার করিতেছি তখন হইতে আমাদের শিরাসমূহ কোমল হইয়াছে। তারপর তিনি গোসল করিলেন এবং কাপড় হইতে ইহতিলাম (এর চিহ্ন) ধুইয়া ফেলিলেন এবং নামায পুনরায় পড়িলেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 114Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ، أَنَّهُ اعْتَمَرَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي رَكْبٍ فِيهِمْ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ وَأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَرَّسَ بِبَعْضِ الطَّرِيقِ قَرِيبًا مِنْ بَعْضِ الْمِيَاهِ فَاحْتَلَمَ عُمَرُ وَقَدْ كَادَ أَنْ يُصْبِحَ فَلَمْ يَجِدْ مَعَ الرَّكْبِ مَاءً فَرَكِبَ حَتَّى جَاءَ الْمَاءَ فَجَعَلَ يَغْسِلُ مَا رَأَى مِنْ ذَلِكَ الاِحْتِلاَمِ حَتَّى أَسْفَرَ فَقَالَ لَهُ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ أَصْبَحْتَ وَمَعَنَا ثِيَابٌ فَدَعْ ثَوْبَكَ يُغْسَلُ . فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَاعَجَبًا لَكَ يَا عَمْرُو بْنَ الْعَاصِ لَئِنْ كُنْتَ تَجِدُ ثِيَابًا أَفَكُلُّ النَّاسِ يَجِدُ ثِيَابًا وَاللَّهِ لَوْ فَعَلْتُهَا لَكَانَتْ سُنَّةً بَلْ أَغْسِلُ مَا رَأَيْتُ وَأَنْضِحُ مَا لَمْ أَرَ . قَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ وَجَدَ فِي ثَوْبِهِ أَثَرَ احْتِلاَمٍ وَلاَ يَدْرِي مَتَى كَانَ وَلاَ يَذْكُرُ شَيْئًا رَأَى فِي مَنَامِهِ قَالَ لِيَغْتَسِلْ مِنْ أَحْدَثِ نَوْمٍ نَامَهُ فَإِنْ كَانَ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ النَّوْمِ فَلْيُعِدْ مَا كَانَ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ النَّوْمِ مِنْ أَجْلِ أَنَّ الرَّجُلَ رُبَّمَا احْتَلَمَ وَلاَ يَرَى شَيْئًا وَيَرَى وَلاَ يَحْتَلِمُ فَإِذَا وَجَدَ فِي ثَوْبِهِ مَاءً فَعَلَيْهِ الْغُسْلُ وَذَلِكَ أَنَّ عُمَرَ أَعَادَ مَا كَانَ صَلَّى لآخِرِ نَوْمٍ نَامَهُ وَلَمْ يُعِدْ مَا كَانَ قَبْلَهُ .
রেওয়ায়ত ৮৩. ইয়াহইয়াহ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে উমরাহ করিলেন একই কাফেলায়। আর সেই কাফেলায় আমর ইবনুল আস্ (রাঃ)-ও ছিলেন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) কোন পানির (চশমা বা কূপ) নিকটবর্তী এক রাস্তায় (রাস্তার পাশে) রাত্রির শেষাংশে অবতরণ করিলেন। উমর (রাঃ)-এর ইহতিলাম হইল। (এইদিকে) ফজর হইতে লাগিল কিন্তু কাফেলার সহিত পানি পাওয়া গেল না। তিনি সওয়ার হইয়া পানির নিকট আসিলেন। অতঃপর তিনি ইহতিলামের যা চিহ্ন দেখিলেন উহা ধুইতে লাগিলেন, তখন ফরসা হইয়া গিয়াছে। আমর ইবনুল আস (রাঃ) তাহাকে বলিলেনঃ আপনি ভোর করিলেন অথচ আমাদের সহিত কাপড় রহিয়াছে, আপনি আপনার বস্ত্র রাখিয়া দিন, (পরে) ধোয়া হইবে। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেনঃ ইবনুল ‘আস্! আশ্চর্য তোমার প্রতি! তোমার যদিও অনেক বস্ত্র আছে, কিন্তু প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট কি তদ্রুপ আছে? আল্লাহর কসম, আমি যদি ইহা করি তবে ইহা সুন্নতে পরিণত হইবে। আমি বরং যাহা আলামত দেখিব উহা ধুইব, আর যাহা দেখা না যায় উহাতে পানি ছিটাইয়া দিব। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি তাহার কাপড়ে ইহতিলামের আলামত দেখিতে পায়, কোন সময় ইহতিলাম হইয়াছে সে তাহা জানে না, স্বপ্নে যা দেখিয়াছে তাহাও স্মরণ নাই, তবে সে সদ্য যে নিদ্রা হইতে জাগিয়াছে উহাতে (ইহতিলাম হইয়াছে বলিয়া গণ্য করিয়া) গোসল করবে। যদি সে এই নিদ্রার পর নামায পড়িয়া থাকে তবে সেই নামায পুনরায় পড়িবে। কারণ লোকের (অনেক সময়) ইহতিলাম হয় কিন্তু কোন কিছু (স্বপ্নে) দেখে না, আবার কোন সময় স্বপ্ন দেখে কিন্তু ইহতিলাম হয় না। তাই কাপড়ে যদি পানি দেখে (ইহতিলাম স্মরণ না থাকিলেও) তবে তাহার উপর গোসল ওয়াজিব হইবে। কারণ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এই ঘটনায় শেষ বারের নিদ্রা হইতে জাগ্রত হইবার পর যে নামায পড়িয়াছিলেন তিনি সেই নামায পুনরায় পড়িয়াছেন, উহার পূর্ববর্তী নামায অর্থাৎ ঐ নিদ্রার পূর্বের নামায তিনি কাযা করেন নাই।
- মুওয়াত্তা মালিক 115Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، قَالَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَرْأَةُ تَرَى فِي الْمَنَامِ مِثْلَ مَا يَرَى الرَّجُلُ أَتَغْتَسِلُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَعَمْ فَلْتَغْتَسِلْ " . فَقَالَتْ لَهَا عَائِشَةُ أُفٍّ لَكِ وَهَلْ تَرَى ذَلِكَ الْمَرْأَةُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَرِبَتْ يَمِينُكِ وَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ " .
রেওয়ায়ত ৮৪. উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উম্মু সুলায়ম বিনতে মিলহান (রাঃ) বলিলেনঃ স্ত্রীলোক স্বপ্নে দেখিলে যেমন (স্বপ্ন) দেখিয়া থাকে পুরুষ, (সেই) স্ত্রীলোক গোসল করিবে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ হ্যাঁ, সে গোসল করবে। আয়েশা (রাঃ) তাহাকে (উম্মু সুলায়মকে) বলিলেনঃ উঃ তোমার সর্বনাশ হোক! স্ত্রীলোকও কি উহা দেখে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে [আয়েশা (রাঃ)-কে] বললেনঃ (تَرِبَتْ يَمِينُكِ) তোমার ডান হস্ত ধূলিধূসরিত হোক। (স্ত্রীলোকের উহা না হইলে) তবে (সন্তান-এর) সাদৃশ্য আসে কোথা হইতে? অর্থাৎ সন্তান মায়ের মত হয় কিরূপে?
- মুওয়াত্তা মালিক 116Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ جَاءَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ امْرَأَةُ أَبِي طَلْحَةَ الأَنْصَارِيِّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لاَ يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ هَلْ عَلَى الْمَرْأَةِ مِنْ غُسْلٍ إِذَا هِيَ احْتَلَمَتْ فَقَالَ " نَعَمْ إِذَا رَأَتِ الْمَاءَ " .
রেওয়ায়ত ৮৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু সালমা (রাঃ) বলেনঃ আবূ তালহা আনসারী (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু সুলায়ম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে হাজির হইলেন এবং আরজ করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ হক কথা বলতে লজ্জা করেন না, স্ত্রীলোকের স্বপ্লদোষ হইলে তাহার উপর গোসল ওয়াজিব হইবে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলিলেনঃ হ্যাঁ, পানি দেখিলে।
- মুওয়াত্তা মালিক 117Salim al-Hilali: সহীহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ لاَ بَأْسَ أَنْ يُغْتَسَلَ بِفَضْلِ الْمَرْأَةِ مَا لَمْ تَكُنْ حَائِضًا أَوْ جُنُبًا .
রেওয়ায়ত ৮৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ স্ত্রীলোকের গোসলের অবশিষ্ট পানি দ্বারা গোসল করাতে কোন দোষ নাই (অর্থাৎ ইহা জায়েয)। যদি স্ত্রীলোক ঋতুমতী (حائض) অথবা জুনুবী না হয়।
- মুওয়াত্তা মালিক 118Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَعْرَقُ فِي الثَّوْبِ وَهُوَ جُنُبٌ ثُمَّ يُصَلِّي فِيهِ .
রেওয়ায়ত ৮৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পরিধানের কাপড়ে ঘর্মাক্ত হইতেন অথচ তখন তিনি জুনুবী। অতঃপর সেই কাপড়েই গোসলের পর তিনি নামায পড়িতেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 119Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَغْسِلُ جَوَارِيهِ رِجْلَيْهِ وَيُعْطِينَهُ الْخُمْرَةَ وَهُنَّ حُيَّضٌ . وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ لَهُ نِسْوَةٌ وَجَوَارِي هَلْ يَطَؤُهُنَّ جَمِيعًا قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ فَقَالَ لاَ بَأْسَ بِأَنْ يُصِيبَ الرَّجُلُ جَارِيَتَيْهِ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ فَأَمَّا النِّسَاءُ الْحَرَائِرُ فَيُكْرَهُ أَنْ يُصِيبَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ الْحُرَّةَ فِي يَوْمِ الأُخْرَى فَأَمَّا أَنَّ يُصِيبَ الْجَارِيَةَ ثُمَّ يُصِيبَ الأُخْرَى وَهُوَ جُنُبٌ فَلاَ بَأْسَ بِذَلِكَ . وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ جُنُبٍ وُضِعَ لَهُ مَاءٌ يَغْتَسِلُ بِهِ فَسَهَا فَأَدْخَلَ أَصْبُعَهُ فِيهِ لِيَعْرِفَ حَرَّ الْمَاءِ مِنْ بَرْدِهِ . قَالَ مَالِكٌ إِنْ لَمْ يَكُنْ أَصَابَ أَصْبُعَهُ أَذًى فَلاَ أَرَى ذَلِكَ يُنَجِّسُ عَلَيْهِ الْمَاءَ .
রেওয়ায়ত ৮৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর বাঁদিগণ তাহার পদদ্বয় ধৌত করিত এবং তাহাকে খুমরা (خمرة) ছোট মুসল্লা বা জায়নামায প্রদান করিত, অথচ তাহারা তখন ঋতুমতী। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী ও বাদী রহিয়াছে, সেই ব্যক্তি গোসলের পূর্বে সকলের (স্ত্রী ও বাদিগণের) সঙ্গে সহবাস করিতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বলিলেনঃ জানাবতের গোসলের পূর্বে বাদীর সহিত সহবাস করা দোষের বিষয় নয় (অর্থাৎ ইহা জায়েয)। কিন্তু স্বাধীন স্ত্রীগণের ব্যাপারে মাসআলা এই- কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের স্ত্রীর (অধিকারের) দিনে (নিজের) আর এক স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হওয়া মাকরূহ। তবে কোন লোকের জন্য (তাহার) এক বাদীর সহিত সহবাস করিয়া অতঃপর আর এক বাদীর সহিত জুনুব থাকা অবস্থায় মিলিত হওয়া দোষের ব্যাপার নহে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির জন্য পানি রাখা হইয়াছে যাহা হইতে সে ব্যক্তি ফরয গোসল করিবে, তারপর সে ভুলবশত সেই পানিতে তাহার আঙ্গুল দাখিল করিয়াছে যাহাতে ঠাণ্ডা ও গরমের (মাত্রা) নির্ণয় করিতে পারে। (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার আঙুলসমূহে কোন নাপাকী না পৌছিয়া থাকিলে তবে তাহার এই কাজে পানি নাপাক হইবে বলিয়া আমি মনে করি না।
- মুওয়াত্তা মালিক 120Salim al-Hilali: সহীহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ - أَوْ بِذَاتِ الْجَيْشِ - انْقَطَعَ عِقْدٌ لِي فَأَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْتِمَاسِهِ وَأَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ فَأَتَى النَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَقَالُوا أَلاَ تَرَى مَا صَنَعَتْ عَائِشَةُ أَقَامَتْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبِالنَّاسِ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ . قَالَتْ عَائِشَةُ فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاضِعٌ رَأْسَهُ عَلَى فَخِذِي قَدْ نَامَ فَقَالَ حَبَسْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسَ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ قَالَتْ عَائِشَةُ فَعَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ وَجَعَلَ يَطْعُنُ بِيَدِهِ فِي خَاصِرَتِي فَلاَ يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلاَّ مَكَانُ رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى فَخِذِي فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَصْبَحَ عَلَى غَيْرِ مَاءٍ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى آيَةَ التَّيَمُّمِ فَتَيَمَّمُوا . فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ مَا هِيَ بِأَوَّلِ بَرَكَتِكُمْ يَا آلَ أَبِي بَكْرٍ . قَالَتْ فَبَعَثْنَا الْبَعِيرَ الَّذِي كُنْتُ عَلَيْهِ فَوَجَدْنَا الْعِقْدَ تَحْتَهُ .
রেওয়ায়ত ৮৯. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সফরে গমন করিলাম। যখন আমরা বায়দা (بيداء) অথবা (তিনি বলিয়াছেন) যাতুল-জাইশ (নামক স্থান)-এ পৌছিলাম, তখন আমার একটি মালা হারান গেল। উহা অনুসন্ধানের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সেখানে) অবস্থান করিলেন এবং লোকজনও তাহার সহিত অবস্থান করিলেন। তাহারা কোন পানির (কূপ বা নহর) কাছে ছিলেন না এবং তাঁহাদের সঙ্গেও পানি ছিল না। লোকজন আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইলেন এবং ঘটনা বিবৃত করিলেন। তাহারা বললেনঃ আয়েশা (রাঃ) কি করিয়াছেন তাহা কি আপনি জানেন না? (তিনি) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এবং অন্য লোকদিগকে অবস্থানে বাধ্য করিয়াছেন। অথচ তাহারা পানির কাছে নহেন এবং তাহদের সঙ্গে পানিও নাই। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর আবু বকর (রাঃ) আমার নিকট আসিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপন করিয়া ঘুমাইতেছিলেন। তিনি [আবু বকর (রাঃ)] বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং লোকদিগকে তুমি আটকাইয়া রাখিয়াছ। অথচ তাহারা পানির পার্শ্বে নহেন এবং তাহাদের সাথে পানিও নাই। আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ তারপর আবু বকর (রাঃ) আমার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করিলেন এবং আমাকে তিরস্কার করিলেন। আর তাহার হাত দিয়া আমার কোমরে খোচা মারিতে লাগিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপিত থাকার দরুন আমি (খোচা মারা সত্ত্বেও) নড়াচড়া করিতেছিলাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতঃপর ঘুমাইয়া পড়িলেন এমন কি এই পানিহীন অবস্থায় ভোর হইল। তারপর আল্লাহ তা'আলা তাইয়াম্মুমের আয়াত নাযিল করিলেন। তারপর তাহারা সকলে তাইয়াম্মুম করিলেন। উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) বললেনঃ হে আবু বকরের পরিজন ইহা (অর্থাৎ তাইয়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ হওয়া) আপনাদের প্রথম বরকত নহে। (অর্থাৎ মুসলিমগণ আপনাদের দ্বারা নানাভাবে উপকৃত হইয়াছেন) আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ তারপর আমি যে উটের উপর আরোহণ করিয়াছিলাম উহাকে উঠাইলাম এবং উহার নিচে মালা পাইলাম। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি উপস্থিত নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করিয়াছে। অতঃপর পরবর্তী নামায উপস্থিত হইয়াছে, ঐ লোক কি সেই নামাযের জন্য (আবার) তাইয়াম্মুম করবে, না সেই (পূর্ববর্তী) তাইয়াম্মুম তাহার জন্য যথেষ্ট হইবে? উত্তরে তিনি বলিলেনঃ প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করবে। কারণ (সময় উপস্থিত হইলে) প্রত্যেক নামাযের জন্য পানির অনুসন্ধান করা তাহার ওয়াজিব। যে ব্যক্তি পানির অনুসন্ধান করিল কিন্তু পানি পাইল না, সে তাইয়াম্মুম করিবে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করিয়াছে এবং তাহার সাথীগণ যাহারা ওযু করিয়াছেন সে তাহাদের ইমামতি করিতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বলিলেন, সেই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ইমামতি করিলে তাহা আমার নিকট পছন্দনীয়, আর যদি সে তাহাদের ইমামতি করিয়া থাকে, তবে তাহাতেও আমি কোন দোষ দেখি না। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, এক ব্যক্তি পানি না পাইয়া তাইয়াম্মুম করিয়াছে, তারপর সে নামাযে দাঁড়াইয়াছে এবং তকবীর বলিয়া নামায আরম্ভ করিয়াছে। অতঃপর একজন লোক পানিসহ তাহার নিকট আগমন করিল। তিনি বলেনঃ সে নামায ছাড়িবে না, বরং তাইয়াম্মুম দ্বারা সেই নামায পূর্ণ করিবে এবং আগামী নামাযের জন্য ওযু করবে। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি নামাযের (প্রস্তুতির) জন্য দাঁড়াইয়াছে; কিন্তু সে পানি না পাইয়া আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাইয়াম্মুমের আমল করিয়াছে তবে সেই ব্যক্তি মহান আল্লাহর আনুগত্যই করিয়াছে। পক্ষাত্তরে যে ব্যক্তি পানি পাইয়াছে (ও ওযু করিয়াছে) তাহা (উপরিউক্ত তাইয়াম্মুমকারী) অপেক্ষা সেই ব্যক্তি বেশি পবিত্র ও নামাযের পূর্ণতাকারী বলিয়া গণ্য হইবে না; কারণ তাহারা উভয়েই নির্দেশপ্রাপ্ত এবং প্রত্যেকে মহিমান্বিত আল্লাহ্র পক্ষ হইতে যাহা নির্দেশ পাইয়াছে সেই মুতাবিক আমল করিয়াছে। যে ব্যক্তি পানি পাইয়াছে সেই ব্যক্তির আমল হইল ওযু, যেমন আল্লাহ্ তা'আলা তাহাকে নির্দেশ করিয়াছেন, আর যে ব্যক্তি নামায শুরুর পূর্বে পানি পায় নাই সেই ব্যক্তির জন্য (নির্দেশ) হইল তাইয়াম্মুম। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, জুনুবী ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করিবে এবং কুরআন হইতে তাহার নির্ধারিত অংশ তিলাওয়াত করিবে এবং নফল নামায পড়িবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি না পায়। তবে ইহা সেই স্থানের জন্য যে স্থানে তাহার জন্য তাইয়াম্মুম দ্বারা নামায পড়া বৈধ।
- মুওয়াত্তা মালিক 121Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ أَقْبَلَ هُوَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ مِنَ الْجُرُفِ حَتَّى إِذَا كَانَا بِالْمِرْبَدِ نَزَلَ عَبْدُ اللَّهِ فَتَيَمَّمَ صَعِيدًا طَيِّبًا فَمَسَحَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثُمَّ صَلَّى .
রেওয়ায়ত ৯০. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি স্বয়ং এবং আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যাত্রা আরম্ভ করিলেন। জুরুফ (جرف) হইতে তাহারা উভয়ে মিরবদ (مربد) নামক স্থানে পৌছার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) অবতরণ করলেন এবং পবিত্র মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করিলেন- তাহার মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় কনুই পর্যন্ত মসেহ করিলেন। অতঃপর নামায পড়িলেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 122Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَتَيَمَّمُ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ . وَسُئِلَ مَالِكٌ كَيْفَ التَّيَمُّمُ وَأَيْنَ يَبْلُغُ بِهِ فَقَالَ يَضْرِبُ ضَرْبَةً لِلْوَجْهِ وَضَرْبَةً لِلْيَدَيْنِ وَيَمْسَحُهُمَا إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ .
রেওয়ায়ত ৯১. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হস্তদ্বয়ের উভয় কনুই পর্যন্ত তাইয়াম্মুমে মসেহ করিতেন। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইলঃ তাইয়াম্মুম কিরূপে এবং (হস্তদ্বয়ে তাইয়াম্মুম করার সময়) কোন স্থান পর্যন্ত তাহা পৌছাইবে? তিনি (উত্তরে) বলিলেনঃ একবার মাটিতে হাত রাখিবে মুখমণ্ডলের নিমিত্ত আর এক দফা রাখিবে হস্তদ্বয়ের সমূহের জন্য এবং হস্তদ্বয় উভয় কনুই পর্যন্ত মসেহ করিবে।
- মুওয়াত্তা মালিক 123Salim al-Hilali: Maqtu Hasan
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنِ الرَّجُلِ الْجُنُبِ، يَتَيَمَّمُ ثُمَّ يُدْرِكُ الْمَاءَ فَقَالَ سَعِيدٌ إِذَا أَدْرَكَ الْمَاءَ فَعَلَيْهِ الْغُسْلُ لِمَا يُسْتَقْبَلُ . قَالَ مَالِكٌ فِيمَنِ احْتَلَمَ وَهُوَ فِي سَفَرٍ وَلاَ يَقْدِرُ مِنَ الْمَاءِ إِلاَّ عَلَى قَدْرِ الْوُضُوءِ وَهُوَ لاَ يَعْطَشُ حَتَّى يَأْتِيَ الْمَاءَ قَالَ يَغْسِلُ بِذَلِكَ فَرْجَهُ وَمَا أَصَابَهُ مِنْ ذَلِكَ الأَذَى ثُمَّ يَتَيَمَّمُ صَعِيدًا طَيِّبًا كَمَا أَمَرَهُ اللَّهُ . وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ جُنُبٍ أَرَادَ أَنْ يَتَيَمَّمَ فَلَمْ يَجِدْ تُرَابًا إِلاَّ تُرَابَ سَبَخَةٍ هَلْ يَتَيَمَّمُ بِالسِّبَاخِ وَهَلْ تُكْرَهُ الصَّلاَةُ فِي السِّبَاخِ قَالَ مَالِكٌ لاَ بَأْسَ بِالصَّلاَةِ فِي السِّبَاخِ وَالتَّيَمُّمِ مِنْهَا لأَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ {فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا} فَكُلُّ مَا كَانَ صَعِيدًا فَهُوَ يُتَيَمَّمُ بِهِ سِبَاخًا كَانَ أَوْ غَيْرَهُ .
রেওয়ায়ত ৯২. এক ব্যক্তি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে, যে তাইয়াম্মুম করার পর পানি পাইয়াছে। সাঈদ (রহঃ) উত্তরে বলিলেনঃ পানি পাইলে আগামী নামাযের জন্য তাহার ওপর গোসল ওয়াজিব হইবে। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, এমন এক ব্যক্তি যাহার ইহতিলাম হইয়াছে অথচ সে মুসাফির। কেবল ওযুর পরিমাণ পানি ব্যতীত তাহার নিকট আর পানি নাই এবং পানি পর্যন্ত পৌছার পূর্বে সে পিপাসিত হইবে না। তিনি বলিলেনঃ সেই পানি দ্বারা সে তাহার লজ্জাস্থান এবং যে স্থানে নাপাকী লাগিয়াছে তাহা ধুইবে। অতঃপর আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক পবিত্র মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করবে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে যে তাইয়াম্মুম করিতে ইচ্ছা করিয়াছে; কিন্তু সে লবণাক্ত মাটি ছাড়া অন্য মাটি পাইল না। তবে সে কি লবণাক্ত মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করিবে? আরও প্রশ্ন করা হইলঃ লবণাক্ত মাটিতে নামায পড়া কি মাকরূহ? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলিলেনঃ লবণাক্ত মাটিতে নামায পড়াতে এবং লবণাক্ত মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করাতে কোন দোষ নাই। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলিয়াছেনঃ (فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا) তোমরা পবিত্র মাটির দ্বারা তাইয়াম্মুম কর (সূরা মায়িদাঃ ৬)। ফলে যে-কোন পবিত্র মটি তাইয়াম্মুমের উপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে। লবণাক্ত হোক অথবা না হোক।
- মুওয়াত্তা মালিক 124Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا يَحِلُّ لِي مِنِ امْرَأَتِي وَهِيَ حَائِضٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِتَشُدَّ عَلَيْهَا إِزَارَهَا ثُمَّ شَأْنَكَ بِأَعْلاَهَا " .
রেওয়ায়ত ৯৩. যায়দ ইবনে আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, একজন সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রশ্ন করিলেনঃ আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকিলে আমার জন্য তাহার কতটুকু হালাল? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিলেনঃ স্ত্রীলোক তাহার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করিয়া বাধিবে। অতঃপর তোমার জন্য তাহার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ।
- মুওয়াত্তা মালিক 125Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ مُضْطَجِعَةً مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَأَنَّهَا قَدْ وَثَبَتْ وَثْبَةً شَدِيدَةً فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا لَكِ لَعَلَّكِ نَفِسْتِ " . يَعْنِي الْحَيْضَةَ . فَقَالَتْ نَعَمْ . قَالَ " شُدِّي عَلَى نَفْسِكِ إِزَارَكِ ثُمَّ عُودِي إِلَى مَضْجَعِكِ " .
রেওয়ায়ত ৯৪. রবি’আ ইবনে আবি আবদির রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক চাদরে (আবৃত অবস্থায়) শায়িতা ছিলেন। তখন আয়েশা (রাঃ) তড়িঘড়ি করিয়া উঠিয়া পড়িলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁহাকে বলিলেন, তোমার কি ঘটিয়াছে। সম্ভবত তোমার নিফাস অর্থাৎ হায়েয হইয়াছে। তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তবে তুমি তোমার ইযার (পায়জামা বা তহবন্দ) শক্ত করিয়া বাঁধ, তারপর তোমার বিছানায় প্রত্যাবর্তন কর।
- মুওয়াত্তা মালিক 126Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَرْسَلَ إِلَى عَائِشَةَ يَسْأَلُهَا هَلْ يُبَاشِرُ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَقَالَتْ لِتَشُدَّ إِزَارَهَا عَلَى أَسْفَلِهَا ثُمَّ يُبَاشِرُهَا إِنْ شَاءَ .
রেওয়ায়ত ৯৫. উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ উমর (রহঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট লোক প্রেরণ করিলেন এই প্রশ্ন করার জন্য, স্ত্রী ঋতুমতী হইলে স্বামী সেই স্ত্রীর সহিত মিলিত হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ (স্ত্রী) তাহার নিচের অংশে ইযার (পরিধানের কাপড়) শক্ত করিয়া বাঁধিবে, অতঃপর স্বামী ইচ্ছা করিলে তাহার সহিত মিলিত হইবে। (কিন্তু সহবাস হইতে বিরত থাকিবে, এইজন্যই ইযার শক্ত করিয়া বাধিতে নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে।)
- মুওয়াত্তা মালিক 127Salim al-Hilali: Maqtu Sahih Lighairihi
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، سُئِلاَ عَنِ الْحَائِضِ، هَلْ يُصِيبُهَا زَوْجُهَا إِذَا رَأَتِ الطُّهْرَ قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ فَقَالاَ لاَ حَتَّى تَغْتَسِلَ .
রেওয়ায়ত ৯৬. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল ঋতুমতী স্ত্রীলোক সম্পর্কে, সে গোসলের পূর্বে পবিত্রতা (مسهير) লক্ষ করিলে তাহার স্বামী তাহার সহিত সহবাস করিতে পারিবে কি? তাহারা (উভয়ে) বলিলেনঃ গোসল না করা পর্যন্ত পারিবে না।
- মুওয়াত্তা মালিক 128Salim al-Hilali: Mauquf Sahih Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أُمِّهِ، مَوْلاَةِ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدِّرَجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنِ الصَّلاَةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لاَ تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ . تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنَ الْحَيْضَةِ .
রেওয়ায়ত ৯৭. মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 129Salim al-Hilali: Maqtu Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَمَّتِهِ، عَنِ ابْنَةِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّهُ بَلَغَهَا أَنَّ نِسَاءً، كُنَّ يَدْعُونَ بِالْمَصَابِيحِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ يَنْظُرْنَ إِلَى الطُّهْرِ فَكَانَتْ تَعِيبُ ذَلِكَ عَلَيْهِنَّ وَتَقُولُ مَا كَانَ النِّسَاءُ يَصْنَعْنَ هَذَا . وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الْحَائِضِ تَطْهُرُ فَلاَ تَجِدُ مَاءً هَلْ تَتَيَمَّمُ قَالَ نَعَمْ لِتَتَيَمَّمْ فَإِنَّ مِثْلَهَا مِثْلُ الْجُنُبِ إِذَا لَمْ يَجِدْ مَاءً تَيَمَّمَ .
রেওয়ায়ত ৯৯. মালিক (রহঃ)-কে (ঋতুমতী স্ত্রীলোক সম্পর্কে) প্রশ্ন করা হইল যে স্ত্রীলোক শুচিতাপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু পানি পায় না, সে তাইয়াম্মুম করিবে কি? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, অবশ্যই তাইয়াম্মুম করবে। কারণ তাহার দৃষ্টান্ত জুনুবীর মত (জুনুবী ব্যক্তি), যখন পানি না পায় তখন তাইয়াম্মুম করে।
- মুওয়াত্তা মালিক 130Salim al-Hilali: Mauquf Hasan
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ فِي الْمَرْأَةِ الْحَامِلِ تَرَى الدَّمَ أَنَّهَا تَدَعُ الصَّلاَةَ .
রেওয়ায়ত ১০০. মালিক (রহঃ) বলেন, তিনি জ্ঞাত হইয়াছেন যে, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখিতে পায় তাহার সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেন, সে নামায পড়িবে না।
- মুওয়াত্তা মালিক 131Salim al-Hilali: Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنِ الْمَرْأَةِ الْحَامِلِ، تَرَى الدَّمَ قَالَ تَكُفُّ عَنِ الصَّلاَةِ، . قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ الأَمْرُ عِنْدَنَا .
রেওয়ায়ত ১০১. মালিক (রহঃ) ইবনে শিহাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিয়াছেনঃ যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখিতে পায় সে কি করিবে? তিনি বলিলেনঃ সে নামায হইতে বিরত থাকিবে । ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ উক্ত হুকুম আমাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত।
- মুওয়াত্তা মালিক 132Salim al-Hilali: সহীহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أُرَجِّلُ رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا حَائِضٌ .
রেওয়ায়ত ১০২. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শির (মুবারক)-এ চিরুনি করিতাম, অথচ তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী।
- মুওয়াত্তা মালিক 133Salim al-Hilali: সহীহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، أَنَّهَا قَالَتْ سَأَلَتِ امْرَأَةٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ أَرَأَيْتَ إِحْدَانَا إِذَا أَصَابَ ثَوْبَهَا الدَّمُ مِنَ الْحَيْضَةِ كَيْفَ تَصْنَعُ فِيهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَصَابَ ثَوْبَ إِحْدَاكُنَّ الدَّمُ مِنَ الْحَيْضَةِ فَلْتَقْرُصْهُ ثُمَّ لِتَنْضَحْهُ بِالْمَاءِ ثُمَّ لِتُصَلِّي فِيهِ " .
রেওয়ায়ত ১০৩. আসমা বিনত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) বলেন, জনৈক স্ত্রীলোক রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করিলেন আমাদের মধ্যে একজনের কাপড়ে ঋতুস্রাবের রক্ত লাগিলে সে কি করিবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন তোমাদের কোন স্ত্রীলোকের কাপড়ে হায়েযের রক্ত লাগিলে উহাকে খোচাইয়া পানি দ্বারা ধুইয়া ফেলিবে। অতঃপর সেই কাপড়ে নামায পড়িবে।
- মুওয়াত্তা মালিক 134Salim al-Hilali: সহীহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لاَ أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا فَاغْسِلِي الدَّمَ عَنْكِ وَصَلِّي " .
রেওয়ায়ত ১০৪. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেন, ফাতিমা বিনত আবি হুবাইসা (রাঃ) বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি পবিত্ৰ হই না (অর্থাৎ রক্তস্রাব বন্ধ হয় না।) আমি নামায পড়িব কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ উহা একটি রোগ (শিরামাত্র), হায়েয নহে। তাই যখন হায়েয আরম্ভ হয় তখন নামায ছাড়িয়া দাও। হয়েযের (দিবসের) পরিমাণ দিন অতিবাহিত হইলে তুমি তোমার রক্ত ধৌত কর, তারপর নামায পড়।
- মুওয়াত্তা মালিক 135Salim al-Hilali: সহীহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ امْرَأَةً كَانَتْ تُهَرَاقُ الدِّمَاءَ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَفْتَتْ لَهَا أُمُّ سَلَمَةَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " لِتَنْظُرْ إِلَى عَدَدِ اللَّيَالِي وَالأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُهُنَّ مِنَ الشَّهْرِ قَبْلَ أَنْ يُصِيبَهَا الَّذِي أَصَابَهَا فَلْتَتْرُكِ الصَّلاَةَ قَدْرَ ذَلِكَ مِنَ الشَّهْرِ فَإِذَا خَلَّفَتْ ذَلِكَ فَلْتَغْتَسِلْ ثُمَّ لِتَسْتَثْفِرْ بِثَوْبٍ ثُمَّ لِتُصَلِّي " .
রেওয়ায়ত ১০৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু-সালমা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে জনৈকা স্ত্রীলোকের (রক্তস্রাব বন্ধ হইত না), রক্ত প্রবাহিত হইত। তাহার সম্পর্কে উম্মু-সালমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ (রক্তস্রাব বন্ধ না হওয়ার) যে রোগে সে আক্রান্ত হইয়াছে, সেই রোগ হওয়ার পূর্বে তাহার কত দিন কত রাত্র প্রতি মাসে হায়েয আসিত সে উহার প্রতি লক্ষ রাখিবে। মাসের সেই কয়দিন ও রাত্রিতে সে নামায পড়িবে না। অতঃপর সেই কয়দিন অতিবাহিত হইলে সে গোসল করিবে, তারপর লজ্জাস্থান কাপড় দিয়া বাধিয়া লইবে, তারপর নামায পড়িবে।
- মুওয়াত্তা মালিক 136Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهَا رَأَتْ زَيْنَبَ بِنْتَ جَحْشٍ الَّتِي كَانَتْ تَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَكَانَتْ تُسْتَحَاضُ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي .
রেওয়ায়ত ১০৬. যায়নাব বিন্তি আবি সালমা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুর রহমান ইবন আওফের স্ত্রী (উম্মু হাবিবা) যায়নাব বিন্ত জাহশকে দেখিয়াছেন, তাহার রক্তস্রাব বন্ধ হইত না, তিনি গোসল করিয়া নামায পড়িতেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 137Salim al-Hilali: Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ الْقَعْقَاعَ بْنَ حَكِيمٍ، وَزَيْدَ بْنَ أَسْلَمَ، أَرْسَلاَهُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ يَسْأَلُهُ كَيْفَ تَغْتَسِلُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ تَغْتَسِلُ مِنْ طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلاَةٍ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ .
রেওয়ায়ত ১০৭. কাকা' (قَعْقَاع) ইবন হাকিম (রহঃ) এবং যায়দ ইবনে আসলাম (রহঃ) তাহারা উভয়ে সুমাইকে সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-এর নিকট পাঠাইলেন মুস্তাহাযা (স্ত্রীলোক) গোসল কিরূপে করিবে এই বিষয়ে তাহাকে প্রশ্ন করিতে। তিনি বলিলেনঃ এক যোহর হইতে অপর যোহর পর্যন্ত গোসল করিবে এবং প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করবে। আর যদি রক্ত তাহার উপর প্রাধান্য লাভ করে (অর্থাৎ অধিক হয়) তবে (রক্ত প্রবাহের স্থানে) কাপড় বাধিবে।
- মুওয়াত্তা মালিক 138Salim al-Hilali: Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْتَحَاضَةِ إِلاَّ أَنْ تَغْتَسِلَ غُسْلاً وَاحِدًا ثُمَّ تَتَوَضَّأُ بَعْدَ ذَلِكَ لِكُلِّ صَلاَةٍ . قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ إِذَا صَلَّتْ أَنَّ لِزَوْجِهَا أَنْ يُصِيبَهَا وَكَذَلِكَ النُّفَسَاءُ إِذَا بَلَغَتْ أَقْصَى مَا يُمْسِكُ النِّسَاءَ الدَّمُ فَإِنْ رَأَتِ الدَّمَ بَعْدَ ذَلِكَ فَإِنَّهُ يُصِيبُهَا زَوْجُهَا وَإِنَّمَا هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ . قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ عَلَى حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ وَهُوَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ فِي ذَلِكَ .
রেওয়ায়ত ১০৮. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার পিতা বলিয়াছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নহে, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযু করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের সিদ্ধাত্ত হইল- মুস্তাহাযা নামায পড়ার পর তাহার স্বামীর জন্য তাহার সঙ্গে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় উহাকে নিফাস বলা হয়) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হইতে) যতদিন বাধা দিয়া রাখে উহার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখিতে পায় তবে তখন তাহার স্বামী তাহার সহিত মিলিত হইতে পরিবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করিয়াছি। এই বিষয়ে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার মনঃপূত।
- মুওয়াত্তা মালিক 139Salim al-Hilali: সহীহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَبِيٍّ فَبَالَ عَلَى ثَوْبِهِ فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَاءٍ فَأَتْبَعَهُ إِيَّاهُ .
রেওয়ায়ত ১০৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে একটি শিশুকে আনা হইল। সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড়ের উপর প্রস্রাব করিয়া দিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করিলেন এবং প্রস্রাব লাগা কাপড়ের উপর পানি ঢালিয়া দিলেন।
- মুওয়াত্তা মালিক 140Salim al-Hilali: সহীহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ أُمِّ قَيْسٍ بِنْتِ مِحْصَنٍ، أَنَّهَا أَتَتْ بِابْنٍ لَهَا صَغِيرٍ لَمْ يَأْكُلِ الطَّعَامَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَجْلَسَهُ فِي حَجْرِهِ فَبَالَ عَلَى ثَوْبِهِ فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ وَلَمْ يَغْسِلْهُ .
রেওয়ায়ত ১১০. উম্মু-কায়স বিনত মিহসান (রাঃ) হইতে বর্ণিত, দুগ্ধ ছাড়া অন্য খাদ্য এখনও গ্রহণ করে নাই তাহার এমন এক ছোট শিশুকে সঙ্গে লইয়া তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে উপস্থিত হইলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শিশুকে আপন কোলে বসাইলেন। সে তাহার কাপড়ের উপর প্রস্রাব করিয়া দিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করিলেন এবং কাপড়ে পানি ছিটাইলেন, উহাকে ধুইলেন না।
- মুওয়াত্তা মালিক 141Salim al-Hilali: যঈফ (দুর্বল)
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ دَخَلَ أَعْرَابِيٌّ الْمَسْجِدَ فَكَشَفَ عَنْ فَرْجِهِ لِيَبُولَ فَصَاحَ النَّاسُ بِهِ حَتَّى عَلاَ الصَّوْتُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اتْرُكُوهُ " . فَتَرَكُوهُ فَبَالَ ثُمَّ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَنُوبٍ مِنْ مَاءٍ فَصُبَّ عَلَى ذَلِكَ الْمَكَانِ .
রেওয়ায়ত ১১১. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেন, জনৈক বেদুইন মসজিদে প্রবেশ করিল, সে প্রস্রাব করার উদ্দেশ্যে লজ্জাস্থান হইতে (কাপড়) খুলিল। লোকজন তাহাকে ধমকাইতে লাগিলেন, ইহাতে লোকের স্বর উচ্চ হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তাহাকে ছাড়িয়া দাও। তাহারা সেই লোকটিকে ছাড়িয়া দিলেন। সে প্রস্রাব করিল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক ডোল পানি আনার নির্দেশ দিলেন। তারপর উক্ত স্থানে পানি ঢালা হইল।
- মুওয়াত্তা মালিক 142Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَبُولُ قَائِمًا . قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ غَسْلِ الْفَرْجِ مِنَ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ هَلْ جَاءَ فِيهِ أَثَرٌ فَقَالَ بَلَغَنِي أَنَّ بَعْضَ مَنْ مَضَى كَانُوا يَتَوَضَّئُونَ مِنَ الْغَائِطِ وَأَنَا أُحِبُّ أَنْ أَغْسِلَ الْفَرْجَ مِنَ الْبَوْلِ .
রেওয়ায়ত ১১২. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দাঁড়াইয়া প্রস্রাব করিতে দেখিয়াছি। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল প্রস্ৰাব-পায়খানা হইতে লজ্জাস্থান ধৌত করা সম্পর্কে কোন বর্ণনা (اثر) আসিয়াছে কি? তিনি বলিলেন, আমি জ্ঞাত হইয়াছি, পূর্বের লোকদের (আনসারদের) মধ্য হইতে কিছুসংখ্যক লোক মলত্যাগের পর মলদ্বার ধৌত করিতেন, আর আমি প্রস্রাব করার পর লজ্জাস্থান ধৌত করা পছন্দ করি।
- মুওয়াত্তা মালিক 143Salim al-Hilali: যঈফ (দুর্বল)
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ السَّبَّاقِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي جُمُعَةٍ مِنَ الْجُمَعِ " يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ إِنَّ هَذَا يَوْمٌ جَعَلَهُ اللَّهُ عِيدًا فَاغْتَسِلُوا وَمَنْ كَانَ عِنْدَهُ طِيبٌ فَلاَ يَضُرُّهُ أَنْ يَمَسَّ مِنْهُ وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ " .
রেওয়ায়ত ১১৩. ইবন সব্বাক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম'আসমূহের কোন এক জুম'আয় ইরশাদ করিয়াছেনঃ (يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ) - হে মুসলিম সম্প্রদায় ইহা একটি দিবস, যাহাকে আল্লাহ্ ঈদস্বরূপ নির্দিষ্ট করিয়াছেন। তাই তোমরা গোসল কর, আর যাহার নিকট সুগন্ধ দ্রব্য থাকে, সে উহা হইতে স্পর্শ করিলে ক্ষতি নাই। মিসওয়াক ব্যবহার করা তোমাদের কর্তব্য।
- মুওয়াত্তা মালিক 144Salim al-Hilali: সহীহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ " .
রেওয়ায়ত ১১৪. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ যদি আমার উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করিতাম, তবে তাহাদিগকে বাধ্যতামূলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।
- মুওয়াত্তা মালিক 145Salim al-Hilali: Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ لَوْلاَ أَنْ يَشُقَّ، عَلَى أُمَّتِهِ لأَمَرَهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ .
রেওয়ায়ত ১১৫. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করিতেন, তবে তাহাদিগকে বাধ্যতামূলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন।