Amal
মুওয়াত্তা মালিক

2. Purity

১১৪টি হাদীস

  • মুওয়াত্তা মালিক 72Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَدِمَ الْكُوفَةَ عَلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَهُوَ أَمِيرُهَا فَرَآهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ سَعْدٌ سَلْ أَبَاكَ إِذَا قَدِمْتَ عَلَيْهِ فَقَدِمَ عَبْدُ اللَّهِ فَنَسِيَ أَنْ يَسْأَلَ عُمَرَ عَنْ ذَلِكَ حَتَّى قَدِمَ سَعْدٌ فَقَالَ أَسَأَلْتَ أَبَاكَ فَقَالَ لاَ ‏.‏ فَسَأَلَهُ عَبْدُ اللَّهِ فَقَالَ عُمَرُ إِذَا أَدْخَلْتَ رِجْلَيْكَ فِي الْخُفَّيْنِ وَهُمَا طَاهِرَتَانِ فَامْسَحْ عَلَيْهِمَا ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَإِنْ جَاءَ أَحَدُنَا مِنَ الْغَائِطِ فَقَالَ عُمَرُ نَعَمْ وَإِنْ جَاءَ أَحَدُكُمْ مِنَ الْغَائِطِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪২. সা'দ ইবন ওয়াক্কাস (রাঃ) যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নিকট আসিলেন এবং তাহাকে মোজার উপর মসেহ করিতে দেখিলেন। ইবন উমর (রাঃ) তাহার এই মসেহ-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানাইলেন। সা'দ (রাঃ) তাঁহাকে বলিলেনঃ আপনার পিতার নিকট গেলে ইহা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিবেন। আবদুল্লাহ্ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করিলেন; কিন্তু তাহার পিতাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিতে ভুলিয়া গেলেন। সা'দ পরে (মদীনায়) আসিলেন এবং ইবন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ আপনার পিতার নিকট সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিয়াছেন কি? তিনি বলিলেনঃ না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাহার পিতাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করিলেন। উমর (রাঃ) উত্তরে বলিলেন; যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযুর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযুর সময়) তুমি মোজার উপর মসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলিলেনঃ আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা-প্রস্রাব হইতে আসিলে তাহার জন্যও কি এই হুকুম? উমর (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করিয়া আসিলে তাহার জন্যও এই হুকুম।

  • মুওয়াত্তা মালিক 73Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، بَالَ فِي السُّوقِ ثُمَّ تَوَضَّأَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ رَأْسَهُ ثُمَّ دُعِيَ لِجَنَازَةٍ لِيُصَلِّيَ عَلَيْهَا حِينَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৩. নাফি’ হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করিলেন। তারপর অযু করিলেন এবং তাহার মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুইলেন এবং মাথা মসেহ করিলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাহাকে জানাযার নামায পড়াইবার জন্য আহ্বান করা হইল, তিনি মোজার উপর মসেহ করিলেন, তারপর জানাযার নামায পড়িলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 74Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رُقَيْشٍ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ أَتَى قُبَا فَبَالَ ثُمَّ أُتِيَ بِوَضُوءٍ فَتَوَضَّأَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَمَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ ثُمَّ جَاءَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّى ‏.‏ قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ تَوَضَّأَ وُضُوءَ الصَّلاَةِ ثُمَّ لَبِسَ خُفَّيْهِ ثُمَّ بَالَ ثُمَّ نَزَعَهُمَا ثُمَّ رَدَّهُمَا فِي رِجْلَيْهِ أَيَسْتَأْنِفُ الْوُضُوءَ فَقَالَ لِيَنْزِعْ خُفَّيْهِ وَلْيَغْسِلْ رِجْلَيْهِ وَإِنَّمَا يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ مَنْ أَدْخَلَ رِجْلَيْهِ فِي الْخُفَّيْنِ وَهُمَا طَاهِرَتَانِ بِطُهْرِ الْوُضُوءِ وَأَمَّا مَنْ أَدْخَلَ رِجْلَيْهِ فِي الْخُفَّيْنِ وَهُمَا غَيْرُ طَاهِرَتَيْنِ بِطُهْرِ الْوُضُوءِ فَلاَ يَمْسَحْ عَلَى الْخُفَّيْنِ ‏.‏ قَالَ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ تَوَضَّأَ وَعَلَيْهِ خُفَّاهُ فَسَهَا عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ حَتَّى جَفَّ وَضُوءُهُ وَصَلَّى قَالَ لِيَمْسَحْ عَلَى خُفَّيْهِ وَلْيُعِدِ الصَّلاَةَ وَلاَ يُعِيدُ الْوُضُوءَ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ غَسَلَ قَدَمَيْهِ ثُمَّ لَبِسَ خُفَّيْهِ ثُمَّ اسْتَأْنَفَ الْوُضُوءَ فَقَالَ لِيَنْزِعْ خُفَّيْهِ ثُمَّ لْيَتَوَضَّأْ وَلْيَغْسِلْ رِجْلَيْهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৪. সাঈদ ইবন আবদুর রহমান ইবন রুকাইশ আশআরী (রহঃ) বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি কোবা আসিলেন, তারপর প্রস্রাব করিলেন। অতঃপর তাহার নিকট পানি আনা হইলে তিনি ওযু করিলেন, মুখমণ্ডল ধুইলেন, হস্তদ্বয় ধুইলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মসেহ করিলেন, আর মোজার উপর মসেহ করিলেন, তারপর মসজিদে আসিলেন এবং নামায পড়িলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযু করিয়াছে নামাযের ওযুর মত, অতঃপর তাহার মোজা পরিধান করিয়াছে। তারপর সে প্রস্রাব করিয়াছে। তারপর মোজা বাহির করিয়া লইয়াছে। অতঃপর মোজা উভয় পায়ে পরিধান করিয়াছে। সেই ব্যক্তি ওযু পুনরায় করিবে কি? তিনি বলিলেনঃ সে মোজা বাহির করিয়া লইবে। তারপর ওযু করিবে এবং উভয় পা ধুইবে। যে লোক উভয় পা মোজায় ওযুর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করিয়াছে, সেই লোক মোজায় মসেহ করিতে পারবে। আর যে ওযুর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নাই সে মোজা মসেহ করিবে না। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক লোক সম্পর্কে, যে ব্যক্তি ওযু করিয়াছে তাহার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মসেহ করিতে তুলিয়া গিয়াছে। (এই অবস্থায়) তাহার ওযু (ওয়ূর অঙ্গসমূহ) শুকাইয়া গিয়াছে এবং সে নামায পড়িয়াছে। (তাহার হুকুম কি ) তিনি বলিলেনঃ সেই ব্যক্তি মোজার উপর মসেহ করিবে এবং নামায পুনরায় পড়িবে, ওযু পুনরায় করিতে হইবে না। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক লোক সম্পর্কে, যে তাহার দুই পা (প্রথমে) ধুইয়াছে, তারপর মোজা পরিধান করিয়াছে, অতঃপর ওযু শুরু করিয়াছে। তিনি বলিলেনঃ সে মোজা খুলিয়া ফেলিবে, তারপর ওযু করিবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 75Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّهُ رَأَى أَبَاهُ يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ قَالَ وَكَانَ لاَ يَزِيدُ إِذَا مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ عَلَى أَنْ يَمْسَحَ ظُهُورَهُمَا وَلاَ يَمْسَحُ بُطُونَهُمَا ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 76Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنِ الْمَسْحِ، عَلَى الْخُفَّيْنِ كَيْفَ هُوَ فَأَدْخَلَ ابْنُ شِهَابٍ إِحْدَى يَدَيْهِ تَحْتَ الْخُفِّ وَالأُخْرَى فَوْقَهُ ثُمَّ أَمَرَّهُمَا ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَقَوْلُ ابْنِ شِهَابٍ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ فِي ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৫. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি তাহার পিতাকে মোজার উপর মসেহ করিতে দেখিয়াছেন। তিনি মোজা মসেহ করার সময় ইহার অতিরিক্ত কিছু করিতেন না; মোজার উপরের অংশে মসেহ করিতেন, তলদেশ মসেহ করিতেন না। মালিক (রহঃ) ইবন শিহাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ মোজা মসেহ কিরূপে সম্পাদন করিতে হয়? ইবন শিহাব তাহার এক হাত মোজার নিচে দাখিল করিলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করিলেন। অতঃপর উভয় হাত মসেহ-এর জন্য চালিত করিলেন। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ মোজা মসেহ-এর ব্যাপারে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইবন শিহাবের মতামত আমার নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়।

  • মুওয়াত্তা মালিক 77Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا رَعَفَ انْصَرَفَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ رَجَعَ فَبَنَى وَلَمْ يَتَكَلَّمْ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যখন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত বাহির হইত, তখন নামায হইতে তিনি ফিরিয়া যাইতেন। অতঃপর ওযু করিতেন এবং পুনরায় আসিয়া অবশিষ্ট নামায পড়িতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলিতেন না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 78Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، كَانَ يَرْعُفُ فَيَخْرُجُ فَيَغْسِلُ الدَّمَ عَنْهُ ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَبْنِي عَلَى مَا قَدْ صَلَّى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হইলে তিনি বাহির হইতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করিতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করিয়া নামায যতটুকু পড়িয়াছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায পড়িতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 79Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ اللَّيْثِيِّ، أَنَّهُ رَأَى سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ رَعَفَ وَهُوَ يُصَلِّي فَأَتَى حُجْرَةَ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأُتِيَ بِوَضُوءٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ رَجَعَ فَبَنَى عَلَى مَا قَدْ صَلَّى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৮. ইয়াযিদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন কুসাইত লাইসী (রহঃ) বলেনঃ তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে দেখিয়াছেন, তিনি যখন নামায পড়িতেছিলেন তখন তাহার নাক দিয়া রক্ত বাহির হইল তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী উম্মু সালমার হুজরায় আসিলেন। তাহার জন্য পানি আনা হইল, তিনি ওযু করিলেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করিলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তাহা আদায় করিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 80Salim al-Hilali: Maqtu Hasan

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ الأَسْلَمِيِّ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ سَعِيدَ

  • মুওয়াত্তা মালিক 81Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُجَبَّرِ، أَنَّهُ رَأَى سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَخْرُجُ مِنْ أَنْفِهِ الدَّمُ حَتَّى تَخْتَضِبَ أَصَابِعُهُ ثُمَّ يَفْتِلُهُ ثُمَّ يُصَلِّي وَلاَ يَتَوَضَّأُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫০. আবদুর রহমান ইবন মুজাব্বার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ)-কে দেখিয়াছেন, তাহার নাক হইতে রক্ত প্রবাহিত হইতেছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাহার আঙুলসমূহ রঞ্জিত হইয়া গিয়াছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়াইলেন, তারপর নামায পড়িলেন, অথচ ওযু করিলেন না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 82Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، دَخَلَ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ مِنَ اللَّيْلَةِ الَّتِي طُعِنَ فِيهَا فَأَيْقَظَ عُمَرَ لِصَلاَةِ الصُّبْحِ فَقَالَ عُمَرُ نَعَمْ وَلاَ حَظَّ فِي الإِسْلاَمِ لِمَنْ تَرَكَ الصَّلاَةَ ‏.‏ فَصَلَّى عُمَرُ وَجُرْحُهُ يَثْعَبُ دَمًا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫১. মিসওয়ার ইবন মাখরামা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যে রাত্রে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি[1] উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করিল। উমর (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হইল। উমর (রাঃ) বলিলেনঃ হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায পড়িব। যে ব্যক্তি নামায ছাড়িয়া দেয়, ইসলামে তাহার কোন অংশ নাই। অতঃপর উমর (রাঃ) নামায পড়িলেন অথচ তাহার জখম হইতে তখন রক্ত প্রবাহিত হইতেছিল।

  • মুওয়াত্তা মালিক 83Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، قَالَ مَا تَرَوْنَ فِيمَنْ غَلَبَهُ الدَّمُ مِنْ رُعَافٍ فَلَمْ يَنْقَطِعْ عَنْهُ قَالَ مَالِكٌ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ ثُمَّ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَرَى أَنْ يُومِئَ بِرَأْسِهِ إِيمَاءً ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ فِي ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫২. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেনঃ নকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হইয়াছে এবং তাহার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নাই সেই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ অতঃপর সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিলেনঃ আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আমি যাহা কিছু শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার নিকট উত্তম।

  • মুওয়াত্তা মালিক 84Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ، لَهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْىُ مَاذَا عَلَيْهِ قَالَ عَلِيٌّ فَإِنَّ عِنْدِي ابْنَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَسْتَحِي أَنْ أَسْأَلَهُ ‏.‏ قَالَ الْمِقْدَادُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ ‏ "‏ إِذَا وَجَدَ ذَلِكَ أَحَدُكُمْ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ بِالْمَاءِ وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৩. মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) মিকদাদকে নির্দেশ দিলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাহার পক্ষে প্রশ্ন করার জন্য। প্রশ্নটি হলো এই-এক ব্যক্তি তাহার স্ত্রীর নিকট যাওয়ায় তাহার লিঙ্গাগ্রে মযী (তরল পদার্থ, শুক্র নহে) বাহির হইয়াছে, সে ব্যক্তির প্রতি কি ওযু ওয়াজিব হইবে। আলী (রাঃ) বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা যেহেতু আমার স্ত্রী সেহেতু তাহাকে এই ধরনের প্রশ্ন করিতে আমি লজ্জাবোধ করি। মিকদাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উপরিউক্ত প্রশ্ন করিলে তিনি বলিলেন, তোমাদের কেউ অনুরূপ অবস্থার সম্মুখীন হইলে সে নিজের লজ্জাস্থান পানি দ্বারা ধৌত করিবে, তারপর নামাযের ওযুর ন্যায় ওযু করিবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 85Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ إِنِّي لأَجِدُهُ يَنْحَدِرُ مِنِّي مِثْلَ الْخُرَيْزَةِ فَإِذَا وَجَدَ ذَلِكَ أَحَدُكُمْ فَلْيَغْسِلْ ذَكَرَهُ وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ يَعْنِي الْمَذْىَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৪. আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমার ভিতর হইতে উহা মুক্তাদানার মত নির্গত হইতে আমি অনুভব করি। তোমাদের কেউ এই অবস্থা প্রাপ্ত হইলে সে তাহার লজ্জাস্থান ধুইয়া লইবে এবং নামাযের ওযুর মত ওযু করিবে। তিনি (উমর) ইহা দ্বারা মযীর বিষয় বলিতে চাহিয়াছেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 86Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ جُنْدَبٍ، مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَيَّاشٍ أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ عَنِ الْمَذْىِ، فَقَالَ إِذَا وَجَدْتَهُ فَاغْسِلْ فَرْجَكَ وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلاَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৫. জুনদাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে মযী সম্পর্কে প্রশ্ন করিলাম। তিনি বলিলেনঃ তুমি উহা প্রাপ্ত হইলে তোমার লজ্জাস্থানকে ধুইয়া লও এবং নামাযের ওযুর মত ওযু কর।

  • মুওয়াত্তা মালিক 87Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ سَمِعَهُ وَرَجُلٌ، يَسْأَلُهُ فَقَالَ إِنِّي لأَجِدُ الْبَلَلَ وَأَنَا أُصَلِّي، أَفَأَنْصَرِفُ فَقَالَ لَهُ سَعِيدٌ لَوْ سَالَ عَلَى فَخِذِي مَا انْصَرَفْتُ حَتَّى أَقْضِيَ صَلاَتِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৬. ইয়াহইয়াহ ইবস সাঈদ (রহঃ) শুনিয়াছেন- সাঈদ ইবন মুসায়াব (রহঃ)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করতে সে বলিলঃ আমি নামায পড়িতেছি এই অবস্থায় আর্দ্রতা অনুভব করি। তবে আমি কি (নামায ছাড়িয়া) ফিরিয়া যাইব? সাঈদ বলিলেনঃ আমার রানের উপর দিয়া ভাসিয়া পড়িলেও আমি আমার নামায সমাপ্ত না করিয়া ফিরিব না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 88Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ زُيَيْدٍ، أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ عَنِ الْبَلَلِ، أَجِدُهُ فَقَالَ انْضَحْ مَا تَحْتَ ثَوْبِكَ بِالْمَاءِ وَالْهَ عَنْهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৭. সালত ইবন যুয়ায়দ (রহঃ) বলেনঃ আমি সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ)-কে আর্দ্রতা সম্পর্কে প্রশ্ন করিলাম; যা আমি অনুভব করি অর্থাৎ মনে সন্দেহ জাগে হয়তো আদ্ৰতা আছে। তিনি বলিলেনঃ তোমার কাপড়ের (লুঙ্গি অথবা পায়জামা) নিচে পানি ছিটাইয়া দাও। তারপর উহার ফিকির (চিন্তা) ছাড়।

  • মুওয়াত্তা মালিক 89Salim al-Hilali: সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ دَخَلْتُ عَلَى مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَتَذَاكَرْنَا مَا يَكُونُ مِنْهُ الْوُضُوءُ فَقَالَ مَرْوَانُ وَمِنْ مَسِّ الذَّكَرِ الْوُضُوءُ ‏.‏ فَقَالَ عُرْوَةُ مَا عَلِمْتُ هَذَا ‏.‏ فَقَالَ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৮. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হাযম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমি মারওয়ান ইবন হাকাম (রহঃ)-এর নিকট গেলাম, আমরা উভয়ে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সেই বিষয়ে আলোচনা করিলাম। মারওয়ান বলিলেনঃ জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিলে ওযু করিতে হইবে। উরওয়াহ বলিলেনঃ আমি তো ইহা জানি না। মারওয়ান বলিলেনঃ বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়াছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিলে ওযু করিবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 90Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أُمْسِكُ الْمُصْحَفَ عَلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ فَاحْتَكَكْتُ فَقَالَ سَعْدٌ لَعَلَّكَ مَسِسْتَ ذَكَرَكَ قَالَ فَقُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ فَقَالَ قُمْ فَتَوَضَّأْ فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ ثُمَّ رَجَعْتُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৯. মুসআব ইবন সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রহঃ) বলেনঃ আমি সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর জন্য কুরআন হস্তে ধারণ করিতেছিলাম (যেন তিনি তিলাওয়াত করিতে পারেন), আমি নিজের শরীর চুলকাইলাম (বা ঘর্ষণ করিলাম)। সা'দ বলিলেনঃ সম্ভবত তুমি তোমার জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিয়াছ। আমি বলিলামঃ হ্যাঁ। তিনি বলিলেনঃ তুমি ওঠ এবং ওযু কর; অতঃপর আমি উঠিলাম এবং ওযু করিয়া আবার প্রত্যাবর্তন করিলাম।

  • মুওয়াত্তা মালিক 91Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ তোমাদের কেউ যদি স্বীয় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করে, তবে সে ওযু করিবে, কারণ তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইয়াছে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 92Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬১. উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) বলতেনঃ যে স্বীয় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিয়াছে তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইয়াছে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 93Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ أَبِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَغْتَسِلُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَبَتِ أَمَا يَجْزِيكَ الْغُسْلُ مِنَ الْوُضُوءِ قَالَ بَلَى وَلَكِنِّي أَحْيَانًا أَمَسُّ ذَكَرِي فَأَتَوَضَّأُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬২. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি গোসল করিতেন, তারপর ওযু করিতেন। আমি বলিলামঃ আব্বাজান! গোসল আপনার ওযুর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযুর কাজ হইয়া যায় না?) তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করি। তাই আমি ওযু করি।

  • মুওয়াত্তা মালিক 94Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فِي سَفَرٍ فَرَأَيْتُهُ بَعْدَ أَنْ طَلَعَتِ الشَّمْسُ تَوَضَّأَ ثُمَّ صَلَّى قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّ هَذِهِ لَصَلاَةٌ مَا كُنْتَ تُصَلِّيهَا ‏.‏ قَالَ إِنِّي بَعْدَ أَنْ تَوَضَّأْتُ لِصَلاَةِ الصُّبْحِ مَسِسْتُ فَرْجِي ثُمَّ نَسِيتُ أَنْ أَتَوَضَّأَ فَتَوَضَّأْتُ وَعُدْتُ لِصَلاَتِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৩. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ আমি এক সফরে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমি তাহাকে দেখিলাম সূর্য উদয়ের পর ওযু করিলেন, তারপর নামায পড়িলেন। আমি তাহাকে বলিলামঃ (আজকের দিন ব্যতীত) আপনি এই নামায কখনও এই সময়ে পড়েন না। তখন তিনি বলিলেনঃ আমি ফজরের নামাযের জন্য ওযু করার পর আমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করিয়াছি। অতঃপর আমি ওযু করিতে ভুলিয়া গিয়াছি। তাই আমি ওযু করিলাম এবং পুনরায় নামায পড়িলাম।

  • মুওয়াত্তা মালিক 95Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ قُبْلَةُ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَجَسُّهَا بِيَدِهِ مِنَ الْمُلاَمَسَةِ فَمَنْ قَبَّلَ امْرَأَتَهُ أَوْ جَسَّهَا بِيَدِهِ فَعَلَيْهِ الْوُضُوءُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ স্বামী কর্তৃক আপন স্ত্রীকে চুম্বন এবং উহাকে হাতে ছোঁয়া মুলামাসত (ملامست)-এর অন্তর্ভুক্ত। যে নিজের স্ত্রীকে চুম্বন করে অথবা তাহাকে হাতে ছোঁয় তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 96Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، كَانَ يَقُولُ مِنْ قُبْلَةِ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ الْوُضُوءُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলিতেনঃ পুরুষ নিজের স্ত্রীকে চুমা খাইলে তাহার ওযু ওয়াজিব হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 97Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مِنْ قُبْلَةِ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ الْوُضُوءُ ‏.‏ قَالَ ‏{‏ ابْنُ ‏}‏ نَافِعٍ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইবন শিহাব (রহঃ) বললেন, পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীকে চুম্বনের দরুন ওযু করিতে হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 98Salim al-Hilali: সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ بِغَسْلِ يَدَيْهِ ثُمَّ تَوَضَّأَ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعْرِهِ ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غَرَفَاتٍ بِيَدَيْهِ ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৭. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবত-এর গোসল করিতেন, সর্বপ্রথম উভয় হাত ধৌত করিতেন। অতঃপর নামাযের ওযুর মত ওযু করিতেন। তারপর আঙুলসমূহ পানিতে দাখিল করিতেন, আঙুল দ্বারা চুলের গোড়ায় খিলাল করিতেন। অতঃপর উভয় হাত দিয়া তিন আঁজলা পানি তাহার শিরে ঢালিতেন। অতঃপর সর্বশরীরে পানি ঢালিতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 99Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَغْتَسِلُ مِنْ إِنَاءٍ - هُوَ الْفَرَقُ - مِنَ الْجَنَابَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৮. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পাত্র হইতে, যাহাতে দুই অথবা তিন সা' (প্রায় চার অথবা ছয় সের পরিমাণ) পানি ধরিত, জানাবতের গোসল করিতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 100Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَأَفْرَغَ عَلَى يَدِهِ الْيُمْنَى فَغَسَلَهَا ثُمَّ غَسَلَ فَرْجَهُ ثُمَّ مَضْمَضَ وَاسْتَنْثَرَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَنَضَحَ فِي عَيْنَيْهِ ثُمَّ غَسَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى ثُمَّ الْيُسْرَى ثُمَّ غَسَلَ رَأْسَهُ ثُمَّ اغْتَسَلَ وَأَفَاضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৯. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন জানাবতের গোসল করিতেন, তিনি সর্বপ্রথম ডান হাতে পানি ঢালিতেন এবং উহাকে ধৌত করিতেন, অতঃপর লজ্জাস্থান ধুইতেন। তারপর কুলি করিতেন এবং নাক পরিষ্কার করিতেন। তারপর মুখমণ্ডল ধুইতেন এবং উভয় চক্ষুতে পানি ছিটা দিতেন। অতঃপর পুনরায় ডান হাত, তারপর বাম হাত ও মাথা ধুইতেন। তারপর (পূর্ণাঙ্গ) গোসল করিতেন এবং তাহার (দেহের) উপর পানি ঢালিয়া দিতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 101Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ، سُئِلَتْ عَنْ غُسْلِ الْمَرْأَةِ، مِنَ الْجَنَابَةِ فَقَالَتْ لِتَحْفِنْ عَلَى رَأْسِهَا ثَلاَثَ حَفَنَاتٍ مِنَ الْمَاءِ وَلْتَضْغَثْ رَأْسَهَا بِيَدَيْهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭০. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে মেয়েদের জানাবতের গোসল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইল। তিনি বলিলেনঃ স্ত্রীলোক তাহার মাথায় তিন চুল্লু পানি ঢালিবে এবং উভয় হাত দ্বারা মাথা (মাথার চুল) কচলাইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 102Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَعُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، وَعَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا مَسَّ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব, উসমান ইবন আফফান (রাঃ) ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলতেনঃ যখন (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান স্পর্শ করিল তখন অবশ্য গোসল ওয়াজিব হইয়া গেল।

  • মুওয়াত্তা মালিক 103Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا يُوجِبُ الْغُسْلَ فَقَالَتْ هَلْ تَدْرِي مَا مَثَلُكَ يَا أَبَا سَلَمَةَ مَثَلُ الْفَرُّوجِ يَسْمَعُ الدِّيَكَةَ تَصْرُخُ فَيَصْرُخُ مَعَهَا إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭২. আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রহঃ) বলেনঃ আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী আয়েশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করিলাম, কোন কাজ গোসলকে ওয়াজিব করে? তিনি বলিলেনঃ হে আবু সালমা! তুমি জান, তোমার দৃষ্টান্ত কি? তোমার দৃষ্টান্ত হইতেছে মুরগীর বাচ্চার মত,[1] যে মোরগকে যখন ডাক দিতে শোনে, তখন সেও মোরগের সহিত ডাক দেয়। শোন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 104Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ أَبَا مُوسَى الأَشْعَرِيَّ، أَتَى عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهَا لَقَدْ شَقَّ عَلَىَّ اخْتِلاَفُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي أَمْرٍ إِنِّي لأُعْظِمُ أَنْ أَسْتَقْبِلَكِ بِهِ ‏.‏ فَقَالَتْ مَا هُوَ مَا كُنْتَ سَائِلاً عَنْهُ أُمَّكَ فَسَلْنِي عَنْهُ ‏.‏ فَقَالَ الرَّجُلُ يُصِيبُ أَهْلَهُ ثُمَّ يُكْسِلُ وَلاَ يُنْزِلُ فَقَالَتْ إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ لاَ أَسْأَلُ عَنْ هَذَا أَحَدًا بَعْدَكِ أَبَدًا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৩. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইলেন। তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাদের মতানৈক্য আমার নিকট খুব ভারী ও কষ্টদায়ক হইয়াছে এবং তাহা এমন একটি বিষয়ে যাহা আপনার সমীপে উল্লেখ করা আমি মহাব্যাপার মনে করি। আয়েশা সিদীকা (রাঃ) বললেনঃ কি বিষয় উহা? তুমি যে বিষয় তোমার মাতার নিকট প্রশ্ন করিতে পার, সেই বিষয়ে আমার নিকটও প্রশ্ন করিতে পার। তারপর আবু মূসা (রাঃ) বলিলেনঃ কোন লোক তাহার স্ত্রীর সহিত সহবাস করার পর সে ক্লান্ত হইয়াছে এবং বীর্য নির্গত হয় নাই। সে কি করিবে? তিনি বলিলেনঃ (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীলোকের) লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে। আবু মূসা (রাঃ) বলিলেনঃ আপনাকে জিজ্ঞাসা করার পর আমি এই বিষয় অন্য কাহারও নিকট আর কখনও জিজ্ঞাসা করিব না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 105Salim al-Hilali: Mauquf Hasan

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّ مَحْمُودَ بْنَ لَبِيدٍ الأَنْصَارِيَّ، سَأَلَ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ عَنِ الرَّجُلِ، يُصِيبُ أَهْلَهُ ثُمَّ يُكْسِلُ وَلاَ يُنْزِلُ فَقَالَ زَيْدٌ يَغْتَسِلُ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ مَحْمُودٌ إِنَّ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ كَانَ لاَ يَرَى الْغُسْلَ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ إِنَّ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ نَزَعَ عَنْ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَمُوتَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৪. মাহমুদ ইবন লবীদ আনসারী (রাঃ) যায়দ ইবন সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিলেন, সেই লোক সম্পর্কে যে লোক নিজের স্ত্রীর সহিত সহবাস করিয়াছে, তারপর ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছে, বীর্য বাহির হয় নাই। তিনি বলিলেনঃ সে গোসল করবে। মাহমুদ (রাঃ) বলিলেনঃ উবাই ইবন কা'ব (রাঃ) গোসল (এই অবস্থায়) জরুরী মনে করিতেন না। যায়দ (রাঃ) বললেন, মৃত্যুর পূর্বে উবাই ইবন কা'ব (রাঃ) এই মত প্রত্যাহার করিয়াছিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 106Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ (পুরুষের) লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 107Salim al-Hilali: সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ ذَكَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ يُصِيبُهُ جَنَابَةٌ مِنَ اللَّيْلِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ ‏ "‏ تَوَضَّأْ وَاغْسِلْ ذَكَرَكَ ثُمَّ نَمْ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) উল্লেখ করিলেন, রাত্রিতে তাহার জানাবত অর্থাৎ অপবিত্রতা হয় (স্বপ্লদোষ বা স্ত্রী সহবাসের দরুন)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তুমি ওযু কর এবং জননেন্দ্রিয় ধুইয়া ফেল, তারপর ঘুমাও।

  • মুওয়াত্তা মালিক 108Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ إِذَا أَصَابَ أَحَدُكُمُ الْمَرْأَةَ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَنَامَ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ فَلاَ يَنَمْ حَتَّى يَتَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিতেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রী সহবাস করিলে, অতঃপর গোসলের পূর্বে ঘুমাইতে ইচ্ছা করিলে সে নামাযের ওযুর মত ওযু না করিয়া ঘুমাইবে না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 109Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ، أَوْ يَطْعَمَ وَهُوَ جُنُبٌ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ طَعِمَ أَوْ نَامَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৮. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) জানাবত হালতে ঘুমাইতে অথবা আহার করিতে ইচ্ছা করিলে তিনি মুখমণ্ডল ও উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুইতেন এবং মাথা মসেহ করিতেন। তারপর আহার করিতেন অথবা ঘুমাইতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 110Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَبَّرَ فِي صَلاَةٍ مِنَ الصَّلَوَاتِ ثُمَّ أَشَارَ إِلَيْهِمْ بِيَدِهِ أَنِ امْكُثُوا فَذَهَبَ ثُمَّ رَجَعَ وَعَلَى جِلْدِهِ أَثَرُ الْمَاءِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭৯. ইসমাঈল ইবন আবি হাকীম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, 'আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) তাহাকে বলিয়াছেনঃ কোন এক নামাযে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তকবীর বললেন। অতঃপর হাত দিয়া তাহদের (নামাযে শরীক উপস্থিত সাহাবীদের) দিকে ইশারা করিলেনঃ তোমরা নিজ নিজ স্থানে অবস্থান কর। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্থান করিলেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তন করিলেন (এমন অবস্থায় যে), তাহার (পবিত্র) দেহের উপর পানির আলামত বিদ্যমান ছিল।

  • মুওয়াত্তা মালিক 111Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ زُيَيْدِ بْنِ الصَّلْتِ، أَنَّهُ قَالَ خَرَجْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ إِلَى الْجُرُفِ فَنَظَرَ فَإِذَا هُوَ قَدِ احْتَلَمَ وَصَلَّى وَلَمْ يَغْتَسِلْ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا أَرَانِي إِلاَّ احْتَلَمْتُ وَمَا شَعَرْتُ وَصَلَّيْتُ وَمَا اغْتَسَلْتُ قَالَ فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ مَا رَأَى فِي ثَوْبِهِ وَنَضَحَ مَا لَمْ يَرَ وَأَذَّنَ أَوْ أَقَامَ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ ارْتِفَاعِ الضُّحَى مُتَمَكِّنًا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৮০. যুয়ায়দ ইবন সালত (রহঃ) বলেনঃ আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সহিত বাহির হইলাম জুরুফ-এর (মদীনা হইতে তিন মাইল দূরের একটি পল্লী) দিকে। তাহার স্বপ্লদোষ হইল এবং তিনি গোসল না করিয়া (ভুলে) নামায পড়িলেন। অতঃপর তিনি বলিলেনঃ কসম আল্লাহর! আমার মনে হয়, আমার অবশ্য ইহতিলাম (স্বপ্লদোষ) হইয়াছে অথচ আমি খবর রাখি না এবং আমি গোসল না করিয়া নামায পড়িয়াছি। তারপর তিনি গোসল করিলেন এবং কাপড়ে যা চিহ্ন দেখিলেন উহা ধুইলেন, যেখানে চিহ্ন নাই সেইখানে পানি ছিটাইয়া দিলেন। তারপর আযান ও ইকামত বলিলেন। অতঃপর দিবসের প্রথমাংশ সূর্য উচ্চতায় পৌছার পর নামায পড়িলেন।