Amal
সহীহ মুসলিম

5. The Book of Mosques and Places of Prayer

৩৯৬টি হাদীস

  • সহীহ মুসলিম 1325সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَدْعُو فِي الصَّلاَةِ ‏"‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَقَالَ لَهُ قَائِلٌ مَا أَكْثَرَ مَا تَسْتَعِيذُ مِنَ الْمَغْرَمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا غَرِمَ حَدَّثَ فَكَذَبَ وَوَعَدَ فَأَخْلَفَ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের মধ্যে এ বলে দু'আ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মাইন্নী আউযুবিকা মিন ‘আযাবিল কবরি ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামা-তি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল মা'সামি ওয়াল মাগরম” – (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাই।)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি বলল- হে আল্লাহর রসূল! আপনি ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে এত আশ্রয় প্রার্থনা করেন কেন? (এ কথা শুনে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কেউ যখন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখন কথা বললে মিথ্যা বলে এবং প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০১, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1326সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنَ التَّشَهُّدِ الآخِرِ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ أَرْبَعٍ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ ‏"‏ ‏.‏ وَحَدَّثَنِيهِ الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا هِقْلُ بْنُ زِيَادٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، - يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ - جَمِيعًا عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ ‏"‏ إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنَ التَّشَهُّدِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ ‏"‏ الآخِرَ ‏"‏ ‏.‏

    হাকাম ইবনু মূসা, আলী ইবনু খশরাম (রহঃ) ..... আওযাঈ (রহঃ) থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, "তোমাদের কেউ যখন তাশাহহুদ পাঠ করবে"। তারা 'আ-খির বা শেষ তাশাহহুদ’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1327সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَشَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ ‏"‏ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "আল্ল-হুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন আযা-বিল কবরি ওয়া আযা-বিন না-রি ওয়া ফিতনাতিল মাহইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়া শাররিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল" (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে কবরের ও জাহান্নামের আযাব থেকে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1328সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عُوذُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ عُوذُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ عُوذُوا بِاللَّهِ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ عُوذُوا بِاللَّهِ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ ‏"‏ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তার আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয় চাও। কবরের আযাব থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। আর জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1329সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏

    মুহাম্মদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1330সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ, আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1331সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ بُدَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ جَهَنَّمَ وَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর ও জাহান্নামের আযাব ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাইতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1333সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، - فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ - عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُهُمْ هَذَا الدُّعَاءَ كَمَا يُعَلِّمُهُمُ السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ يَقُولُ ‏ "‏ قُولُوا اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بَلَغَنِي أَنَّ طَاوُسًا قَالَ لاِبْنِهِ أَدَعَوْتَ بِهَا فِي صَلاَتِكَ فَقَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ أَعِدْ صَلاَتَكَ لأَنَّ طَاوُسًا رَوَاهُ عَنْ ثَلاَثَةٍ أَوْ أَرْبَعَةٍ أَوْ كَمَا قَالَ ‏.‏

    কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে যেভাবে কুরআন মাজীদের সূরাহ শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এ দু'আটিও শিখাতেন। দু'আটি হলোঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্না- না'উযুবিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম ওয়া আউয়ুবিকা মিন আযাবিল কবরি ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামা-ত” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।)। মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ বলেনঃ তাউস (একদিন) তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি সালাত আদায় করার সময় কি এ দু'আটি পড়েছ? সে বলল, 'না'। এ কথা শুনে তাউস বললেন, তুমি পুনরায় সালাত আদায় কর। কারণ তাউস (তোমার পিতা) তিন, চার বা তার বক্তব্য অনুসারে কম বা বেশী লোকের নিকট থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি এরূপ বলেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1334সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، - اسْمُهُ شَدَّادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ - عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلاَثًا وَقَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ الْوَلِيدُ فَقُلْتُ لِلأَوْزَاعِيِّ كَيْفَ الاِسْتِغْفَارُ قَالَ تَقُولُ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ ‏.‏

    দাউদ ইবনু রুশায়দ (রহঃ) ..... সাওবান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে তিনবার ইসতিগফার করতেন এবং বলতেন- "আল্ল-হুম্মা আনতাস্ সালা-মু ওয়া মিনকাস সালা-মু তাবা-রকতা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সম্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।)। হাদীস বর্ণনাকার ওয়ালীদ বলেন- আমি আওযাঈকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিভাবে ইস্তিগফার করতেন। তিনি বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন- আস্তাগফিরুল্ল-হ, আস্তাগফিরুল্ল-হ' (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১২১০, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1335সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَلَّمَ لَمْ يَقْعُدْ إِلاَّ مِقْدَارَ مَا يَقُولُ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ نُمَيْرٍ ‏"‏ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতে সালাম ফিরানোর পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ততটুকু সময় বসতেন- “আল্ল-হুম্মা আনতাস সালা-মু ওয়া মিনকাস সালা-মু তাবা-রকতা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সম্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।)- এ দু'আটা পড়তে যতটুকু সময় লাগে। ইবনু নুমায়র এর একটি বর্ণনায় يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ এর স্থলে ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ উল্লেখ আছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১১, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1336সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، - يَعْنِي الأَحْمَرَ - عَنْ عَاصِمٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ ‏ "‏ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏

    ইবনু নুময়ের (রহঃ) .... ‘আসিম (রহঃ)-এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ উল্লেখ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১২, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1337সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، وَخَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، كِلاَهُمَا عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ ‏ "‏ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏

    আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনাতে এ কথাটুকু নেই যে, তিনি يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ (হে শানশাওকাতময়, দয়াবান) বলতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1338সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ وَرَّادٍ، مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَتَبَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ إِلَى مُعَاوِيَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا فَرَغَ مِنَ الصَّلاَةِ وَسَلَّمَ قَالَ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏"‏ ‏.‏

    ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়াররাদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মুগীরাহ বিন শুবাহ মু'আবিয়াহ (রাযিঃ)-কে লিখে পাঠান যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন– "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর, আল্ল-হুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আ ত্বয়তা ওয়ালা মুত্বিয়া লিমা- মানা'তা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ" (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শারীক বিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তার জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1339সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَأَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ وَرَّادٍ، مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنِ الْمُغِيرَةِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ مِثْلَهُ قَالَ أَبُو بَكْرٍ وَأَبُو كُرَيْبٍ فِي رِوَايَتِهِمَا قَالَ فَأَمْلاَهَا عَلَىَّ الْمُغِيرَةُ وَكَتَبْتُ بِهَا إِلَى مُعَاوِيَةَ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও আহমাদ ইবনু সিনান (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শু'বাহ (রাযিঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ বাকর ও আবূ কুরায়ব তাদের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, ওয়াররাদ বলেছেনঃ মুগীরাহ দু'আটি আমাকে শিখিয়েছেন। অতঃপর তা আমি মু'আবিয়াকে লিখে পাঠিয়েছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1340সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدَةُ بْنُ أَبِي لُبَابَةَ، أَنَّ وَرَّادًا، مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَتَبَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ إِلَى مُعَاوِيَةَ - كَتَبَ ذَلِكَ الْكِتَابَ لَهُ وَرَّادٌ - إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ حِينَ سَلَّمَ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِهِمَا ‏.‏ إِلاَّ قَوْلَهُ ‏ "‏ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ فَإِنَّهُ لَمْ يَذْكُرْ ‏.‏

    মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়াররাদ বলেছেনঃ মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (আমীর) মুআবিয়ার কাছে ওয়াররাদকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতে শুনেছি ... তবে এ বর্ণনায়ঃ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ বাক্যটির উল্লেখ নেই, কেননা তিনি তা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1341সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ عُمَرَ الْبَكْرَاوِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُفَضَّلِ ح قَالَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَزْهَرُ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ وَرَّادٍ، كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَنْصُورٍ وَالأَعْمَشِ ‏.‏

    হামিদ ইবনু উমার আল বাকরাবী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়াররাদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, (আমীর) মু'আবিয়াহ মুগীরাহ এর কাছে লিখেছিলেন। ... এরপর তিনি মানসুর ও আ'মাশ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1342সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ أَبِي لُبَابَةَ، وَعَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ، سَمِعَا وَرَّادًا، كَاتِبَ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ يَقُولُ كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ اكْتُبْ إِلَىَّ بِشَىْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ فَكَتَبَ إِلَيْهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا قَضَى الصَّلاَةَ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏"‏ ‏.‏

    ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহঃ) ..... আব্‌দাহ ইবনু আবূ লুবাবাহ ও আবদুল মালিক ইবনু উমায়র (উভয়ে) মুগীরাহ ইবনু শুবাহ এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়াররাদকে বলতে শুনেছেন যে, (আমীর) মু'আবিয়াহ মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) এর কাছে পত্র লিখলেনঃ তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছ এমন কিছু লিখে পাঠাও। ওয়াররাদ বর্ণনা করেনঃ এ পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মুগীরাহ ইবনু শুবাহ তাকে লিখে জানালেন যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি সালাত শেষে (এ দু'আটি) বলতেন, “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর, আল্ল-হুম্মা লামা-নি’আ লিমা- আ ত্বয়তা ওয়ালা- মুত্বিয়া লিমা- মানা'তা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শরীকবিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তার জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1343সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ كَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَقُولُ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاَةٍ حِينَ يُسَلِّمُ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهَلِّلُ بِهِنَّ دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবুয যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর, লা-হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা- না'বুদু ইল্লা- ঈয়্যা-হু লাহুন নি'মাতু ওয়ালাহুল ফাযলু ওয়ালাহুস্ সানা-উল হাসানু লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্‌দীনা ওয়ালাও কারিহাল কাফিরূন” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও শরীকবিহীন। তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন আশ্রয় এবং শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তাকে ছাড়া আর কারো ইবাদাত করি না যদিও কাফিরদের তা পছন্দ নয়।)। আর তিনি (ইবনুয যুবায়র) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২১৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1344সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، مَوْلًى لَهُمْ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، كَانَ يُهَلِّلُ دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ وَقَالَ فِي آخِرِهِ ثُمَّ يَقُولُ ابْنُ الزُّبَيْرِ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهَلِّلُ بِهِنَّ دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏

    আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... উরওয়াহ তাদের আযাদকৃত দাস আবূয যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের শেষে ইবনু নুমায়র-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ তাহলীল (অর্থাৎ- “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। হাদীসটির শেষে তিনি এভাবে বলেছেন, অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনুয যুবারর বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাগুলো বলে প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পর তাহলীল বা আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২০, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1345সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَخْطُبُ عَلَى هَذَا الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا سَلَّمَ فِي دُبُرِ الصَّلاَةِ أَوِ الصَّلَوَاتِ ‏.‏ فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ‏.‏

    ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... আবুয যুবায়র (রহ:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে এ মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই বলে খুতবাহ দিতে শুনেছি যে, সালাতের শেষে সালাম ফিরিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন .....। অতঃপর তিনি হিশাম ইবনু উরওয়াহ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২১, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1346সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ الْمَكِّيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَهُوَ يَقُولُ فِي إِثْرِ الصَّلاَةِ إِذَا سَلَّمَ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِهِمَا وَقَالَ فِي آخِرِهِ وَكَانَ يَذْكُرُ ذَلِكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ আল মুরাদী (রহঃ) ..... আবুয যুবায়র আল মাক্কী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ঘুবায়র (রাযিঃ)-কে প্রতি ওয়াক্ত সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতে শুনেছেন হিশাম ও হাজ্জাজ বর্ণিত পূর্বের হাদীসে উল্লেখিত দু'আর অনুরূপ দু'আ করতেন। অবশ্য এ হাদীসের শেষে তিনি এ কথা বলেছেনঃ বিষয়টি 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২২, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1347সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، كِلاَهُمَا عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - وَهَذَا حَدِيثُ قُتَيْبَةَ أَنَّ فُقَرَاءَ، الْمُهَاجِرِينَ أَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ بِالدَّرَجَاتِ الْعُلَى وَالنَّعِيمِ الْمُقِيمِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَيَتَصَدَّقُونَ وَلاَ نَتَصَدَّقُ وَيُعْتِقُونَ وَلاَ نُعْتِقُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَفَلاَ أُعَلِّمُكُمْ شَيْئًا تُدْرِكُونَ بِهِ مَنْ سَبَقَكُمْ وَتَسْبِقُونَ بِهِ مَنْ بَعْدَكُمْ وَلاَ يَكُونُ أَحَدٌ أَفْضَلَ مِنْكُمْ إِلاَّ مَنْ صَنَعَ مِثْلَ مَا صَنَعْتُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ تُسَبِّحُونَ وَتُكَبِّرُونَ وَتَحْمَدُونَ دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ مَرَّةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو صَالِحٍ فَرَجَعَ فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا سَمِعَ إِخْوَانُنَا أَهْلُ الأَمْوَالِ بِمَا فَعَلْنَا فَفَعَلُوا مِثْلَهُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ غَيْرُ قُتَيْبَةَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَنِ اللَّيْثِ عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ قَالَ سُمَىٌّ فَحَدَّثْتُ بَعْضَ أَهْلِي هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ وَهِمْتَ إِنَّمَا قَالَ ‏"‏ تُسَبِّحُ اللَّهَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَتَحْمَدُ اللَّهَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَتُكَبِّرُ اللَّهَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ ‏"‏ ‏.‏ فَرَجَعْتُ إِلَى أَبِي صَالِحٍ فَقُلْتُ لَهُ ذَلِكَ فَأَخَذَ بِيَدِي فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ حَتَّى تَبْلُغَ مِنْ جَمِيعِهِنَّ ثَلاَثَةً وَثَلاَثِينَ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عَجْلاَنَ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ رَجَاءَ بْنَ حَيْوَةَ فَحَدَّثَنِي بِمِثْلِهِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    আসিম ইবনু নায্‌র আত তায়মী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কুতায়বাহও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেছেনঃ একদিন গরীব মুহাজিরগণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে বললেন, সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কিভাবে? তারা বললেনঃ আমরা সালাত আদায় করি তারাও সালাত আদায় করে। আমরা সিয়াম পালন করি তারাও সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা দান করে আমরা দান করতে পারি না। আর তারা দাস মুক্ত করে আমরা দাস মুক্ত করতে পারি না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দিব না যা করলে তোমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রসর লোকদের সমকক্ষ হতে পারবে? আর যারা তোমাদের পিছনে পড়ে আছে তাদের পিছনে রেখে এগিয়ে যেতে পারবে? আর তোমাদের মতো কাজ না করে কেউ তোমাদের মতো উত্তম হতে পারবে না। তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তা অবশ্যই বলবেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রত্যেক সালাতের পর তোমরা তেত্রিশবার করে তাসবীহ (সুবহানা-ল্ল-হ), তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও তাহমীদ (আলহামদু লিল্লা-হ) বলবে। আবূ সালিহ বর্ণনা করেছেন এরপর গরীব মুহাজিরগণ পুনরায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেনঃ আমরা যা করেছি আমাদের সম্পদশালী ভাইয়েরা তা জেনে ফেলেছে। সুতরাং এখন তারাও এ কাজ করতে শুরু করেছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ তো আল্লাহর মেহেরবানী। যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। কুতায়বাহ ছাড়া আর যারা এ হাদীসটি লায়স ও ইবনু আজলান এর মাধ্যমে সুমাই থেকে বর্ণনা করেছেন তারা এতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, সুমাই (হাদীসটির এক পর্যায়ের বর্ণনাকারী) বলেছেনঃ আমি ভুলে গিয়েছি হাদীসটি বরং এভাবে বলা হয়েছেঃ তেত্রিশবার তাসবীহ বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার হামদ করবে আর তেত্রিশবার তাকবীর বলবে। সুতরাং (এ কথা শুনে) আমি আবূ সালিহ্-এর কাছে গিয়ে এ বিষয়টি বললে, তিনি আমার হাত ধরে বললেনঃ বরং তুমি বলবে "আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হি আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তার। আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তার )। এভাবে সবগুলো মোট তেত্রিশবার বলবে। ইবনু আজলান বলেছেনঃ আমি রাজা ইবনু হায়ওয়াহ এর কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনিও আমাকে আবূ সালিহ ও আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শোনালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1348সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ الْعَيْشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ بِالدَّرَجَاتِ الْعُلَى وَالنَّعِيمِ الْمُقِيمِ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ قُتَيْبَةَ عَنِ اللَّيْثِ إِلاَّ أَنَّهُ أَدْرَجَ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ قَوْلَ أَبِي صَالِحٍ ثُمَّ رَجَعَ فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ ‏.‏ إِلَى آخِرِ الْحَدِيثِ وَزَادَ فِي الْحَدِيثِ يَقُولُ سُهَيْلٌ إِحْدَى عَشْرَةَ إِحْدَى عَشْرَةَ فَجَمِيعُ ذَلِكَ كُلِّهُ ثَلاَثَةٌ وَثَلاَثُونَ ‏.‏

    উমাইয়্যাহ ইবনু বিসতাম আল আয়শী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন গরীব মুহাজিররা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। অর্থাৎ- এভাবে তিনি লায়স থেকে কুতায়বাহ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি আবূ হুরায়রাহ বর্ণিত হাদীসে আবূ সালিহ বর্ণিত হাদীসের "অতঃপর গরীব মুহাজিররা ফিরে আসল” কথাটা শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। আর হাদীসটির মধ্যে তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ল বলেন, এগার বার করে সবগুলো মিলিয়ে মোট তেত্রিশবার পড়তে হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1349সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، قَالَ سَمِعْتُ الْحَكَمَ بْنَ عُتَيْبَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مُعَقِّبَاتٌ لاَ يَخِيبُ قَائِلُهُنَّ - أَوْ فَاعِلُهُنَّ - دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ مَكْتُوبَةٍ ثَلاَثٌ وَثَلاَثُونَ تَسْبِيحَةً وَثَلاَثٌ وَثَلاَثُونَ تَحْمِيدَةً وَأَرْبَعٌ وَثَلاَثُونَ تَكْبِيرَةً ‏"‏ ‏.‏

    হাসান ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... ক’ব ইবনু উজরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক ফারয (ফরয) সালাতের পরে কিছু দু'আ আছে, যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা কাজে লাগায় কখনো নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তা হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (আলহামদু লিল্লা-হ) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (সুবহা-নাল্ল-হ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) পাঠ করা। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1352সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ الْمَذْحِجِيِّ، - قَالَ مُسْلِمٌ أَبُو عُبَيْدٍ مَوْلَى سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ - عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ سَبَّحَ اللَّهَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاَةٍ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَحَمِدَ اللَّهَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَكَبَّرَ اللَّهَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ فَتِلْكَ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ وَقَالَ تَمَامَ الْمِائَةِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ غُفِرَتْ خَطَايَاهُ وَإِنْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ ‏"‏ ‏.‏

    আবদুল হামীদ ইবনু বায়ান আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের শেষে তেত্রিশবার আল্লাহর তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার আল্লাহর তাহমীদ বা আল্লাহর প্রশংসা করবে এবং তেত্রিশবার তাকবীর বা আল্লাহর মহত্ব বর্ণনা করবে আর এভাবে নিরানব্বই বার হওয়ার পর শততম পূর্ণ করতে বলবে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা-লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও তার কোন অংশীদার নেই। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তিনিই। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম- তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1353সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু সব্বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এরপর উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1356সহীহ গ্রন্থ

    قَالَ مُسْلِمٌ وَحُدِّثْتُ عَنْ يَحْيَى بْنِ حَسَّانَ، وَيُونُسَ الْمُؤَدِّبِ، و غَيْرِهِمَا قَالُوا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُمَارَةُ بْنُ الْقَعْقَاعِ، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا نَهَضَ مِنَ الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ اسْتَفْتَحَ الْقِرَاءَةَ بِـ ‏{‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ‏}‏ وَلَمْ يَسْكُتْ ‏.‏

    ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ ইয়াহইয়া ইবনু হাস্‌সান এবং ইউনুস আল মুআদ্‌দিব ও অন্যান্য 'আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যিয়াদ ও উমারাহ ইবনু ক্বা-ক্বা এর মাধ্যমে আবূ যুর'আহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে। আবূ যুর'আহ বলেছেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ সালাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাকাআত শেষে উঠে দাঁড়িয়ে “আল হামদুলিল্লা-হি রব্বিল আ-লামীন” বলে শুরু করতেন। চুপ থাকতেন না (অর্থাৎ- দ্বিতীয় রাকাআত থেকে উঠা এবং সূরাহ ফা-তিহাহ পাঠের মাঝখানে কোন বিরতি থাকত না)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩১, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1357সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ، وَثَابِتٌ، وَحُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَجُلاً، جَاءَ فَدَخَلَ الصَّفَّ وَقَدْ حَفَزَهُ النَّفَسُ فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ ‏.‏ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ قَالَ ‏"‏ أَيُّكُمُ الْمُتَكَلِّمُ بِالْكَلِمَاتِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ ‏"‏ أَيُّكُمُ الْمُتَكَلِّمُ بِهَا فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْ بَأْسًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ جِئْتُ وَقَدْ حَفَزَنِي النَّفَسُ فَقُلْتُهَا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ لَقَدْ رَأَيْتُ اثْنَىْ عَشَرَ مَلَكًا يَبْتَدِرُونَهَا أَيُّهُمْ يَرْفَعُهَا ‏"‏ ‏.‏

    যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে সালাতের কাতারে ঢুকে পড়ল। তখন সে হাঁপাতে ছিল। এ অবস্থায় সে বলে উঠল “আল হামদুলিল্লা-হি হামদান কাসীরান তুইয়্যিবাম মুবা-রকান ফীহ” (অর্থাৎ- সব প্রশংসাই মহান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। তার অনেক অনেক প্রশংসা যা পবিত্র কল্যাণময়।)। সালাত শেষ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ কথাগুলো কে বলেছ? তখন সবাই চুপ করে রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ কথাগুলো যে বলেছে সে তো কোন খারাপ কথা বলেনি। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলঃ আমি এসে যখন সালাতে শারীক হই তখন আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। তাই আমি এ কথাগুলো বলেছি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি দেখলাম, বারোজন মালায়িকাহ ঐ কথাগুলোকে আগে উঠিয়ে নেয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩২, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1358সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، أَخْبَرَنِي الْحَجَّاجُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنِ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ عَجِبْتُ لَهَا فُتِحَتْ لَهَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَمَا تَرَكْتُهُنَّ مُنْذُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ذَلِكَ ‏

    যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত আদায় করেছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ “আল্লহু আকবার কাবীরা- ওয়াল হামদুলিল্লা-হি কাসীরা- ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি বুকরাতান ওয়া আসীলা-” (অর্থাৎ- আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে।)। (সালাত শেষে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, এ কথাগুলো কে বলল? সবার মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রসূল আমি ঐ কথাগুলো বলেছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথাগুলোর জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়েছিল। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথাগুলো বলতে শোনার পর থেকে তার ওপর আমল করা কখনো ছাড়িনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1359সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح قَالَ وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ زِيَادٍ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ، - يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح قَالَ وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ تَأْتُوهَا تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا تَمْشُونَ وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল জাফার ইবনু যিয়াদ, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) [শব্দাবলী তার] ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, সালাত শুরু হয়ে গেলে তোমরা তাতে শারীক হওয়ার জন্য দৌড়াবে না বা তাড়াহুড়া করবে না। বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে হেঁটে যাও। তোমাদেরকে গাম্ভীর্য বজায় রাখতে হবে। এভাবে ইমামের সাথে সালাতের যে অংশ পাবে তাই আদায় করবে। আর যা পাবে না তা পূর্ণ করে নিবে।” (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1360সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - أَخْبَرَنِي الْعَلاَءُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا ثُوِّبَ لِلصَّلاَةِ فَلاَ تَأْتُوهَا وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا كَانَ يَعْمِدُ إِلَى الصَّلاَةِ فَهُوَ فِي صَلاَةٍ ‏"‏ ‏.‏

    ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হয়ে গেলে তোমরা দৌড়াদৌড়ি বা তাড়াহুড়া করে সালাতে এসো না। বরং প্রশান্তিসহ গাম্ভীর্য বজায় রেখে সালাতে শারীক হও। অতঃপর ইমামের সাথে যতটা সালাত পাও তা আদায় করো। আর যতটা না পাবে তা পূরণ করে নাও। কেননা তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সালাত আদায়ের সঙ্কল্প করে তখন সে সালাতরত থাকে বলেই গণ্য হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1361সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا نُودِيَ بِالصَّلاَةِ فَأْتُوهَا وَأَنْتُمْ تَمْشُونَ وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا ‏"‏ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদীস তিনি এ বলে বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আহবান করা (আযান দেয়া) হয় তখন তোমরা স্বাভাবিকভাবে হেঁটে গিয়ে সালাতে শারীক হও। এ সময় তোমাদের উচিত প্রশান্তভাব ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা। এভাবে যতটুকু জামা'আতের সাথে পাবে আদায় করবে। আর যতটুকু পাবে না তা পূরণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1362সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ، - يَعْنِي ابْنَ عِيَاضٍ - عَنْ هِشَامٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا ثُوِّبَ بِالصَّلاَةِ فَلاَ يَسْعَ إِلَيْهَا أَحَدُكُمْ وَلَكِنْ لِيَمْشِ وَعَلَيْهِ السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ صَلِّ مَا أَدْرَكْتَ وَاقْضِ مَا سَبَقَكَ ‏"‏ ‏.‏

    কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, যুহারর ইবনু হারব [শব্দগুলো তার] (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হয়ে গেলে তোমাদের কেউ যেন দৌড়িয়ে না যায়। বরং প্রশান্তভাবে গাম্ভীর্য বজায় রেখে হেঁটে হেঁটে যেন যায়। জামা'আতে বা ইমামের সাথে যতটুকু পাবে আদায় করবে। আর যা না পাবে তা পূরণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1363সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ الصُّورِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلاَّمٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، أَخْبَرَهُ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَمِعَ جَلَبَةً ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ مَا شَأْنُكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا اسْتَعْجَلْنَا إِلَى الصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلاَ تَفْعَلُوا إِذَا أَتَيْتُمُ الصَّلاَةَ فَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا سَبَقَكُمْ فَأَتِمُّوا ‏"‏ ‏.‏

    ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... কতাদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময়ে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম। ইতোমধ্যে তিনি শোরগোল ও কোলাহল শুনতে পেয়ে (সালাত শেষে) বললেনঃ কি ব্যাপার! তোমরা এরূপ করলে কেন? সবাই বলল, আমরা সালাতের জন্য তাড়াহুড়া করে আসছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, এরূপ করবে না। বরং তোমরা সালাতে আসার সময় শান্তভাবে আসবে এভাবে জামা'আতে সালাতের যে অংশ পাবে তা আদায় করে নিবে আর যে অংশ পাবে না তা পরে পূর্ণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1364সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... শায়বান (রহঃ)-এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1367সহীহ গ্রন্থ

    حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَقُمْنَا فَعَدَّلْنَا الصُّفُوفَ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى إِذَا قَامَ فِي مُصَلاَّهُ قَبْلَ أَنْ يُكَبِّرَ ذَكَرَ فَانْصَرَفَ وَقَالَ لَنَا ‏ "‏ مَكَانَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمْ نَزَلْ قِيَامًا نَنْتَظِرُهُ حَتَّى خَرَجَ إِلَيْنَا وَقَدِ اغْتَسَلَ يَنْطِفُ رَأْسُهُ مَاءً فَكَبَّرَ فَصَلَّى بِنَا ‏.‏

    হারূন ইবনু মা’রূফ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে পৌছার আগেই আমরা দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করে নিলাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে সালাতের স্থানে দাঁড়ালেন। তখনও তাকবীর বলা হয়নি। ইতোমধ্যে তার কিছু স্মরণ হলে তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা নিজ-নিজ স্থানে অপেক্ষা করতে থাক। এ কথা বলে তিনি ফিরে গেলেন। আমরা তার পুনরায় না আসা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম। ইতোমধ্যে তিনি গোসল করে আসলেন। তখনও তার মাথা থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়ছিল। এবার তিনি তাকবীরে তাহরীমা বলে আমাদের সালাত আদায় করালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪২, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1368সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو، - يَعْنِي الأَوْزَاعِيَّ - حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ وَصَفَّ النَّاسُ صُفُوفَهُمْ وَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ مَقَامَهُ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِمْ بِيَدِهِ أَنْ ‏ "‏ مَكَانَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَخَرَجَ وَقَدِ اغْتَسَلَ وَرَأْسُهُ يَنْطِفُ الْمَاءَ فَصَلَّى بِهِمْ ‏.‏

    যুহায়র ইবন হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হলে লোকজন কাতার ঠিক করে দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জায়গায় দাঁড়িয়ে ইশারা করে তাদের সবাইকে বললেনঃ তোমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গায় অপেক্ষা করো। এরপরে তিনি গিয়ে গোসল করে আসলেন। তখন তার মাথার চুল থেকে পানি চুইয়ে পড়ছিল। এবার তিনি সবাইকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1369সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ الصَّلاَةَ، كَانَتْ تُقَامُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَأْخُذُ النَّاسُ مَصَافَّهُمْ قَبْلَ أَنْ يَقُومَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَقَامَهُ ‏.‏

    ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদ্দেশে সালাতের ইকামাত দেয়া হত। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের স্থানে দাঁড়ানোর পূর্বেই লোকজন কাতার বেঁধে দাঁড়িয়ে যেত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1370সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ إِذَا دَحَضَتْ فَلاَ يُقِيمُ حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ حِينَ يَرَاهُ ‏.‏

    সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য ঢলে পড়লেই বিলাল আযান দিতেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে না আসা পর্যন্ত এবং তাকে না দেখা পর্যন্ত ইকামাত দিতেন না। বের হয়ে আসার পর তিনি তাকে দেখতেন তখনই কেবল ইকামাত দিতেন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১২৪৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • সহীহ মুসলিম 1371সহীহ গ্রন্থ

    وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصَّلاَةِ فَقَدْ أَدْرَكَ الصَّلاَةَ ‏"‏ ‏.‏

    ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি (জামাআতের সাথে) কোন সালাতের এক রাকাআত পেয়ে যায় সে উক্ত সালাত পেয়ে গেল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৬, ইসলামীক সেন্টার)