Amal
মুওয়াত্তা মালিক

20. Hajj

২৫১টি হাদীস

  • মুওয়াত্তা মালিক 825Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّ أَبَا مَاعِزٍ الأَسْلَمِيَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سُفْيَانَ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، كَانَ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَجَاءَتْهُ امْرَأَةٌ تَسْتَفْتِيهِ فَقَالَتْ إِنِّي أَقْبَلْتُ أُرِيدُ أَنْ أَطُوفَ بِالْبَيْتِ حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِبَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ فَرَجَعْتُ حَتَّى ذَهَبَ ذَلِكَ عَنِّي ثُمَّ أَقْبَلْتُ حَتَّى إِذَا كُنْتُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ فَرَجَعْتُ حَتَّى ذَهَبَ ذَلِكَ عَنِّي ثُمَّ أَقْبَلْتُ حَتَّى إِذَا كُنْتُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِنَّمَا ذَلِكَ رَكْضَةٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَاغْتَسِلِي ثُمَّ اسْتَثْفِرِي بِثَوْبٍ ثُمَّ طُوفِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৭. আবূয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বলেনঃ আবা মায়িয আসলামী আবদুল্লাহ ইবন সুফইয়ান (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। তখন এক মহিলা আসিয়া বলিলঃ আমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফের ইচ্ছা করিয়াছিলাম। মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আমার ঋতুস্রাব আরম্ভ হইল। এমতাবস্থায় আমি ফিরিয়া যাই। পরে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফের জন্য আসি, কিন্তু মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আবার ঋতুস্রাব শুরু হইল। ফলে আবার ফিরিয়া গেলাম। শেষে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফ করিতে গেলাম। কিন্তু এইবারও দরওয়াজা পর্যন্ত যাইতে না যাইতে পুনরায় রক্ত দেখা দেয়। এখন কি করিব? আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ ইহা শয়তানের কাণ্ড! গোসল করিয়া লজ্জাস্থানে কাপড়ের পটি দিয়া তাওয়াফ সারিয়া নাও।

  • মুওয়াত্তা মালিক 826Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ، كَانَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ مُرَاهِقًا خَرَجَ إِلَى عَرَفَةَ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يَطُوفُ بَعْدَ أَنْ يَرْجِعَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ وَاسِعٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ هَلْ يَقِفُ الرَّجُلُ فِي الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ الْوَاجِبِ عَلَيْهِ يَتَحَدَّثُ مَعَ الرَّجُلِ فَقَالَ لاَ أُحِبُّ ذَلِكَ لَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَطُوفُ أَحَدٌ بِالْبَيْتِ وَلاَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلاَّ وَهُوَ طَاهِرٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৮. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) মক্কায় পৌছিয়া যদি দেখিতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলিয়া যাইতেন এবং সেখান হইতে ফিরিবার পর তাওয়াফ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সময় সংকীর্ণ হইলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কাহারও সঙ্গে কথা বলার জন্য কি থামিয়া যাওয়া বৈধ? তিনি বলিলেনঃ আমি উহা পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সায়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।

  • মুওয়াত্তা মালিক 827Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ حِينَ خَرَجَ مِنَ الْمَسْجِدِ وَهُوَ يُرِيدُ الصَّفَا وَهُوَ يَقُولُ ‏ "‏ نَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَبَدَأَ بِالصَّفَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৯. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদ হইতে সাফার উদ্দেশ্যে যখন বাহির হইলেন তখন শুনিয়াছি, তিনি বলিতেছেনঃ আল্লাহ যে স্থানটির উল্লেখ প্রথমে করিয়াছিলেন আমরাও সেই স্থান হইতে শুরু করিব। অতঃপর তিনি সাফা হইতে সায়ী করা শুরু করেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 828Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا وَقَفَ عَلَى الصَّفَا يُكَبِّرُ ثَلاَثًا وَيَقُولُ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ يَصْنَعُ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَيَدْعُو وَيَصْنَعُ عَلَى الْمَرْوَةِ مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩০. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফায় গিয়া দাঁড়াইতেন তখন তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ বলিতেন এবং এই দু'আ পড়িতেনঃ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ অর্থাৎ, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাহার কোন শরীক নাই, সকল সাম্রাজ্য, ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা শুধু তাহারই, আর তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাশীল। তিনবার ইহা পড়িয়া পরে দুআ করিতেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এইরূপ করিতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 829Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَهُوَ عَلَى الصَّفَا يَدْعُو يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ وَإِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلإِسْلاَمِ أَنْ لاَ تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩১. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে সাফার উপর দাঁড়াইয়া এই দুআ পড়িতে শুনিয়াছেনঃ اللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ وَإِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلإِسْلاَمِ أَنْ لاَ تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি বলিয়াছেনঃ আমার কাছে চাও, আমি তাহা কবুল করিব। আর আপনি কখনও ওয়াদা খেলাফ করেন না। এখন আপনার নিকটই আমি চাহিতেছি, আমাকে যেরূপ ইসলামের দিকে হিদায়াত করিয়াছেন উহা আমার নিকট হইতে ছিনাইয়া নিবেন না। আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমি মুসলিম হিসাবে আপনার অনুগত বান্দা হইয়াই যেন থাকি।

  • মুওয়াত্তা মালিক 830Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ، حَدِيثُ السِّنِّ أَرَأَيْتِ قَوْلَ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا‏}‏ فَمَا عَلَى الرَّجُلِ شَىْءٌ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ كَلاَّ لَوْ كَانَ كَمَا تَقُولُ لَكَانَتْ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا إِنَّمَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ فِي الأَنْصَارِ كَانُوا يُهِلُّونَ لِمَنَاةَ وَكَانَتْ مَنَاةُ حَذْوَ قُدَيْدٍ وَكَانُوا يَتَحَرَّجُونَ أَنْ يَطُوفُوا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَلَمَّا جَاءَ الإِسْلاَمُ سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏}‏

    রেওয়ায়ত ১৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়স্ক), দেখুন, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ (‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) সুতরাং যে কেউ বাইতুল্লাহর হজ্জ বা উমরা করিবে তাহার জন্য এই দুইটির মধ্যে সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই- তাই কেউ যদি সায়ী না করে তবে ইহাতে তাহার গুনাহ হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ সাবধান, তুমি যাহা বুঝিয়াছ তাহা ঠিক নহে। তাহাই যদি হইত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হইত- এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ নাই। (অথচ আল্লাহ্ তা'আলা বলিয়াছেনঃ সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হইয়াছিল। ইহারা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বাধিয়া হজ্জের নিয়তে আসিত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সায়ী করা তাহারা মনে করিত গুনাহর কাজ। ইসলাম আসার পর তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াতঃ ‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا অর্থাৎ, সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেহ কাবা গৃহের হজ্জ কিংবা উমরা সম্পন্ন করে এই দুইটির মধ্যে যাতায়াত করিলে তাহার কোন পাপ নাই। (বাকারাঃ)

  • মুওয়াত্তা মালিক 831Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ سَوْدَةَ بِنْتَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، كَانَتْ عِنْدَ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ فَخَرَجَتْ تَطُوفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ مَاشِيَةً وَكَانَتِ امْرَأَةً ثَقِيلَةً فَجَاءَتْ حِينَ انْصَرَفَ النَّاسُ مِنَ الْعِشَاءِ فَلَمْ تَقْضِ طَوَافَهَا حَتَّى نُودِيَ بِالأُولَى مِنَ الصُّبْحِ فَقَضَتْ طَوَافَهَا فِيمَا بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ ‏.‏ وَكَانَ عُرْوَةُ إِذَا رَآهُمْ يَطُوفُونَ عَلَى الدَّوَابِّ يَنْهَاهُمْ أَشَدَّ النَّهْىِ فَيَعْتَلُّونَ بِالْمَرَضِ حَيَاءً مِنْهُ فَيَقُولُ لَنَا فِيمَا بَيْنَنَا وَبَيْنَهُ لَقَدْ خَابَ هَؤُلاَءِ وَخَسِرُوا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ مَنْ نَسِيَ السَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فِي عُمْرَةٍ فَلَمْ يَذْكُرْ حَتَّى يَسْتَبْعِدَ مِنْ مَكَّةَ أَنَّهُ يَرْجِعُ فَيَسْعَى وَإِنْ كَانَ قَدْ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيَسْعَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يُتِمَّ مَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنْ تِلْكَ الْعُمْرَةِ ثُمَّ عَلَيْهِ عُمْرَةٌ أُخْرَى وَالْهَدْىُ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الرَّجُلِ يَلْقَاهُ الرَّجُلُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَيَقِفُ مَعَهُ يُحَدِّثُهُ فَقَالَ لاَ أُحِبُّ لَهُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ نَسِيَ مِنْ طَوَافِهِ شَيْئًا أَوْ شَكَّ فِيهِ فَلَمْ يَذْكُرْ إِلاَّ وَهُوَ يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِنَّهُ يَقْطَعُ سَعْيَهُ ثُمَّ يُتِمُّ طَوَافَهُ بِالْبَيْتِ عَلَى مَا يَسْتَيْقِنُ وَيَرْكَعُ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ ثُمَّ يَبْتَدِئُ سَعْيَهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কন্যা সাওদা (রহঃ) ছিলেন উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ)-এর স্ত্রী। একবার হজ্জ বা উমরার সময় তিনি সাফা-মারওয়ার সায়ীর জন্য বাহির হন। তিনি মোটা ধরনের মহিলা ছিলেন। ইশার নামায পড়িয়া মানুষ যখন বাহির হইয়াছিল তখন তিনি হাঁটিয়া হাঁটিয়া হজ্জ অথবা উমরার তাওয়াফ ও সায়ী শুরু করিয়াছিলেন। কিন্তু তখনও সায়ী শেষ হইতে পারে নাই, আর এইদিকে ফজরের আযান হইয়া যায়। সায়ী শেষ করিতে তাহার ইশা হইতে ফজর পর্যন্ত সময় লাগিয়াছিল। উরওয়াহ কাহাকেও কোন কিছুতে আরোহণ করিয়া সায়ী করিতে দেখিলে কঠোরভাবে নিষেধ করিতেন। লোকেরা তাহাকে দেখিলে অসুস্থতার বাহানা করিত। তিনি পরে আমাদের নিকট আলাপে বলিতেনঃ ইহারা (যাহারা সওয়ার হইয়া সায়ী করে) ক্ষতিগ্রস্ত, তাহারা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিল করিতে পারে নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমরা করার সময় সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে যদি ভুলিয়া যায় এবং মক্কা হইতে দূরে চলিয়া যাওয়ার পর ইহা স্মরণ হইলে তাহাকে পুনরায় মক্কায় আসিয়া সায়ী করিতে হইবে। আর ইহার মধ্যে স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া সায়ী করিবে এবং দ্বিতীয়বার উমরা করিবে এবং হাদয়ী কুরবানী দিবে। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ সায়ী করার সময় যদি কেউ কাহারও সঙ্গে দাঁড়াইয়া কথা বলিতে শুরু করে তবে কেমন হইবে? তিনি বলিলেনঃ আমি ইহাকে পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ যদি তাওয়াফ করিতে গিয়া কোন চক্কর ভুলিয়া যায় বা এই সম্পর্কে তাহার সন্দেহ হয়, পরে সায়ী করার সময় যদি তাহার উহা খেয়াল হয় তবে সায়ী মওকুফ করিয়া দিবে এবং প্রথমে ইয়াকীনের উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া দুই রাকাআত তাওয়াফের নামায পড়িয়া নুতনভাবে সায়ী করিবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 832Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا نَزَلَ مِنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ مَشَى حَتَّى إِذَا انْصَبَّتْ قَدَمَاهُ فِي بَطْنِ الْوَادِي سَعَى حَتَّى يَخْرُجَ مِنْهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৪. জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা ও মারওয়াতে সায়ী করিতে আসিলে সাধারণভাবে হাঁটিতেন, মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে (বাতনে ওয়াদী) যখন চলিতেন তখন ইহা হইতে বাহির না হওয়া পর্যন্ত দ্রুত চলিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞতার কারণে তাওয়াফের পূর্বে সায়ী করিয়া ফেলে তবে সে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ করার পর পুনরায় সায়ী করিবে। তাওয়াফের কথা তুলিয়া মক্কা হইতে দূরে চলিয়া গেলে যত দূরেই যাক তাহাকে ফিরিয়া আসিতে হইবে এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে হইবে। আর স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ ও সায়ী করিতে হইবে এবং উমরার বাকি কার্যাদি সমাধা করিবে। তাহার পক্ষে পুনরায় উমরা করা এবং হাদয়ী কুরবানী করা ওয়াজিব।

  • মুওয়াত্তা মালিক 833Salim al-Hilali: সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عُمَيْرٍ، مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ الْحَارِثِ، أَنَّ نَاسًا، تَمَارَوْا عِنْدَهَا يَوْمَ عَرَفَةَ فِي صِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ بَعْضُهُمْ هُوَ صَائِمٌ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لَيْسَ بِصَائِمٍ فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ بِقَدَحِ لَبَنٍ وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى بَعِيرِهِ فَشَرِبَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৫. হারিস তনয়া উম্মুল ফযল (রাঃ) বর্ণনা করেন- আরাফাত দিবসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদার কিনা এই সম্পর্কে কতিপয় সাহাবী আমার নিকট আসিয়া তাহাদের সন্দেহ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ বলিয়াছেন, তিনি রোযা রাখিয়াছেন, কেউ কেউ বলিলেন, আজ রোযা রাখেন নাই। উম্মুল ফযল (রাঃ) তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে একটি দুধভর্তি পেয়ালা পাঠাইলেন। তিনি তাহা পান করিলেন। তখন তিনি আরাফাতে একটি উটের উপর আসীন ছিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 834Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، كَانَتْ تَصُومُ يَوْمَ عَرَفَةَ ‏.‏ قَالَ الْقَاسِمُ وَلَقَدْ رَأَيْتُهَا عَشِيَّةَ عَرَفَةَ يَدْفَعُ الإِمَامُ ثُمَّ تَقِفُ حَتَّى يَبْيَضَّ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ مِنَ الأَرْضِ ثُمَّ تَدْعُو بِشَرَابٍ فَتُفْطِرُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৬. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) বর্ণনা করেনঃ উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) আরাফাত দিবসে রোযা রাখিতেন। কাসিম ইবন মুহাম্মদ বলেনঃ আমি তাহাকে (আয়েশা (রাঃ)-কে আরাফাত দিবসে সন্ধ্যায় দেখিয়াছি, ইমামের (আমীরুল মু'মিনীন) প্রত্যাবর্তনের পরও তিনি [আয়েশা (রাঃ)] অপেক্ষা করিলেন এবং পরে ভিড় কমিয়া পথ পরিষ্কার হইলে পানি আনাইয়া ইফতার করিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 835Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْر��، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ أَيَّامِ مِنًى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৭. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়্যামে তাশরীকে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 836Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ حُذَافَةَ أَيَّامَ مِنًى يَطُوفُ يَقُولُ إِنَّمَا هِيَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وَذِكْرِ اللَّهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৮. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মিনার দিবসগুলিতে আবদুল্লাহ ইবন হুযাফা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুরিয়া ফিরিয়া ঘোষণা প্রচার করিতে বলিলেনঃ খাওয়া, পান করা আর আল্লাহর স্মরণের জন্য এই দিনগুলি।

  • মুওয়াত্তা মালিক 837Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৯. আবু হুৱায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইদিন রোযা রাখতে নিষেধ করিয়াছেন- ঈদুল ফিতরের দিন আর ঈদুল আযহার দিন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 838Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِي، عَنْ أَبِي مُرَّةَ، مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ أُخْتِ عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، دَخَلَ عَلَى أَبِيهِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَوَجَدَهُ يَأْكُلُ قَالَ فَدَعَانِي قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنِّي صَائِمٌ ‏.‏ فَقَالَ هَذِهِ الأَيَّامُ الَّتِي نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِهِنَّ وَأَمَرَنَا بِفِطْرِهِنَّ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) তাহার পিতা আমর ইবনু আস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। দেখিতে পাইলেন তিনি আহার করিতেছেন, আবদুল্লাহকেও তিনি ডাকিলেন। আমি বলিলামঃ আমি আজ রোযা আছি। তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই দিনে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন সেই দিনগুলিতে তুমি রোযা রাখিলে! পরে তিনি আবদুল্লাহকে রোযা ভাঙিয়া ফেলিতে হুকুম করিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই দিনগুলি হইতেছে আইয়্যামে তাশরীক, (যিলহজ্জ মাসের ১১, ১২ এবং ১৩ তারিখ) যেগুলিতে আমর ইবনু আস (রাঃ) তাহার পুত্রকে রোযা রাখতে নিষেধ করিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 839Salim al-Hilali: Sahih Lighairihi

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهْدَى جَمَلاً كَانَ لأَبِي جَهْلِ بْنِ هِشَامٍ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪১. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ বা উমরাতে একটি উট যাহা পূর্বে (আবু জাহল ইবন হিশামের ছিল) হাদয়ী হিসাবে পঠাইয়াছিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 840Salim al-Hilali: সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً يَسُوقُ بَدَنَةً فَقَالَ ‏"‏ ارْكَبْهَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا بَدَنَةٌ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ ارْكَبْهَا وَيْلَكَ ‏"‏ ‏.‏ فِي الثَّانِيَةِ أَوِ الثَّالِثَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪২. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাকাইয়া নিয়া যাইতে দেখিতে পাইয়া বলিলেনঃ ইহার উপর আরোহণ কর। সে বলিলঃ হে আল্লাহর রাসূল, ইহা তো কুরবানীর উদ্দেশ্যে নিয়া যাইতেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার অনিষ্ট হউক, আরোহণ কর। এই কথা তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় বারে বলিয়াছিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 841Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ كَانَ يَرَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يُهْدِي فِي الْحَجِّ بَدَنَتَيْنِ بَدَنَتَيْنِ وَفِي الْعُمْرَةِ بَدَنَةً بَدَنَةً ‏.‏ قَالَ وَرَأَيْتُهُ فِي الْعُمْرَةِ يَنْحَرُ بَدَنَةً وَهِيَ قَائِمَةٌ فِي دَارِ خَالِدِ بْنِ أَسِيدٍ وَكَانَ فِيهَا مَنْزِلُهُ ‏.‏ قَالَ وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ طَعَنَ فِي لَبَّةِ بَدَنَتِهِ حَتَّى خَرَجَتِ الْحَرْبَةُ مِنْ تَحْتِ كَتِفِهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৩. আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হজ্জের সময় দুইটি করিয়া আর উমরার সময় একটি করিয়া কুরবানী দিতেন। আমি তাহাকে খালিদ ইবন আসীদের স্বরে বাঁধা তাঁহার উমরার কুরবানীর উটটিকে নাহর করিতে দেখিয়াছি। আমি উমরার সময় দেখিয়াছি তাহার কুরবানীর উটের উপর এমন জোরে বর্শা মারিয়াছিলেন (নাহর করার জন্য) যে, উহা ভেদ করিয়া অপরদিকে গিয়া ঘাড়ের নিচ দিকে বাহির হইয়া গিয়াছিল।

  • মুওয়াত্তা মালিক 842Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَهْدَى جَمَلاً فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) হজ্জ কিংবা উমরার সময় একটি উট হাদয়ী হিসাবে প্রেরণ করিয়াছিলেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 843Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْقَارِئِ، ‏.‏ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَيَّاشِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ الْمَخْزُومِيَّ، أَهْدَى بَدَنَتَيْنِ إِحْدَاهُمَا بُخْتِيَّةٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৫. আবূ জাফর কারী (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন আইয়াশ ইবন আবি রবী'আ মাখযূমী দুইটি উটের কুরবানী করিয়াছিলেন। ইহার মধ্যে একটি বুখতী ধরনের উষ্ট্রীও ছিল।

  • মুওয়াত্তা মালিক 844Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا نُتِجَتِ النَّاقَةُ فَلْيُحْمَلْ وَلَدُهَا حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا فَإِنْ لَمْ يُوجَدْ لَهُ مَحْمَلٌ حُمِلَ عَلَى أُمِّهِ حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৬. নাফি’ (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য লইয়া যাওয়া হইবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপাইয়া লইয়া যাওয়া হইবে, যাহাতে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়।

  • মুওয়াত্তা মালিক 845Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، قَالَ إِذَا اضْطُرِرْتَ إِلَى بَدَنَتِكَ فَارْكَبْهَا رُكُوبًا غَيْرَ فَادِحٍ وَإِذَا اضْطُرِرْتَ إِلَى لَبَنِهَا فَاشْرَبْ بَعْدَ مَا يَرْوَى فَصِيلُهَا فَإِذَا نَحَرْتَهَا فَانْحَرْ فَصِيلَهَا مَعَهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৭. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বলেন- আমার পিতা উরওয়াহ (রহঃ) বলিতেনঃ কুরবানীর উদ্দেশ্যে নীত কুরবানীর পশুর উপর প্রয়োজন হইলে আরোহণ করিতে পার। তবে এইভাবে ব্যবহার করিবে না যে, উহার কোমর ভঙিয়া যায়। দুধের প্রয়োজন হইলে ইহার বাচ্চ পরিতৃপ্ত হইয়া খাওয়ার পর (অবশিষ্ট দুধ) পান করিতে পর, আর ইহাকে নাহর করার সময় বাচ্চাটিকেও নাহর করিতে হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 846Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا أَهْدَى هَدْيًا مِنَ الْمَدِينَةِ قَلَّدَهُ وَأَشْعَرَهُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ يُقَلِّدُهُ قَبْلَ أَنْ يُشْعِرَهُ وَذَلِكَ فِي مَكَانٍ وَاحِدٍ وَهُوَ مُوَجَّهٌ لِلْقِبْلَةِ يُقَلِّدُهُ بِنَعْلَيْنِ وَيُشْعِرُهُ مِنَ الشِّقِّ الأَيْسَرِ ثُمَّ يُسَاقُ مَعَهُ حَتَّى يُوقَفَ بِهِ مَعَ النَّاسِ بِعَرَفَةَ ثُمَّ يَدْفَعُ بِهِ مَعَهُمْ إِذَا دَفَعُوا فَإِذَا قَدِمَ مِنًى غَدَاةَ النَّحْرِ نَحَرَهُ قَبْلَ أَنْ يَحْلِقَ أَوْ يُقَصِّرَ وَكَانَ هُوَ يَنْحَرُ هَدْيَهُ بِيَدِهِ يَصُفُّهُنَّ قِيَامًا وَيُوَجِّهُهُنَّ إِلَى الْقِبْلَةِ ثُمَّ يَأْكُلُ وَيُطْعِمُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৮. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) মদীনা হইতে যখন কুরবানীর পশু (হাদয়ী) নিয়া যাইতেন তখন যুল-হুলায়ফা পৌছিয়া ইহার গলায় চিহ্নের জন্য কিছু একটা লটকাইয়া দিতেন এবং সেখানেই উহার ইশআর (কাঁধের চামড়া যখম করিয়া রক্ত মাখাইয়া দেওয়া) করিতেন। প্রথমে ঐ পশুটির মুখ কিবলার দিকে করিয়া ইহার গলায় দুইটি জুতা লটকাইয়া দিতেন, পরে বাম দিকের কাঁধের চামড়া চিরিয়া উহা রক্তাক্ত করিতেন এবং নিজের সঙ্গে উহা হাঁকাইয়া নিয়া চলিতেন। আরাফাতে পৌছিয়া সকলে যেখানে অবস্থান করিতেন, তিনিও সেখানে অবস্থান করিতেন। সকলেই যখন ফিরিয়া আসিত কুরবানীর পশুটিও সঙ্গে ফিরিত। ইয়াওমুন নাহরের সকালে মিনায় পৌছিয়া মাথা কামানো বা চুল ছাটার পূর্বেই কুরবানীর পশুটি নাহর করিতেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) স্বীয় কুরবানীর পশুটি স্বহস্তে নাহর করিতেন। কিবলামুখ করিয়া প্রথমে কুরবানীর পশুগুলি কাতার করাইয়া দাঁড় করাইতেন, পরে এইগুলি নাহর করিতেন এবং এই গোশত নিজেও খাইতেন এবং অন্যদেরকেও খাওয়াইতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 847Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا طَعَنَ فِي سَنَامِ هَدْيِهِ وَهُوَ يُشْعِرُهُ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 848Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ الْهَدْىُ مَا قُلِّدَ وَأُشْعِرَ وَوُقِفَ بِهِ بِعَرَفَةَ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 849Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُجَلِّلُ بُدْنَهُ الْقُبَاطِيَّ وَالأَنْمَاطَ وَالْحُلَلَ ثُمَّ يَبْعَثُ بِهَا إِلَى الْكَعْبَةِ فَيَكْسُوهَا إِيَّاهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৯. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইশআর করার উদ্দেশ্যে যখন কুরবানীর উটের কুঁজে যখম করিতেন তখন বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার বলিতেন। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ কাদয়ী হইল সেই পশু যাহার গলায় হার লটকানো হইয়াছে, যাহার কুঁজ চিরিয়া যখম করা হইয়াছে এবং আরাফাতের ময়দানে নিয়া দাঁড় করানো হইয়াছে। নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কুরবানীর উটসমূহকে মিসরীয় কুবাতি ও আনমাত কাপড় পরাইতেন। কুরবানীর পর কাপড়সমূহ বায়তুল্লাহর গিলাফ হিসাবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে পাঠাইয়া দিতেন। মালিক (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন সীনার (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেনঃ পরে বায়তুল্লাহর জন্য যখন আলাদা গিলাফ বানাইয়া নেওয়া হইল তখন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) কুরবানীর উটসমূহের এই কাপড়-চোপড় কি করিতেন? তিনি বলিলেনঃ এইগুলি তিনি তখন খয়রাত করিয়া দিতেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 850Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ مَا كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَصْنَعُ بِجِلاَلِ بُدْنِهِ حِينَ كُسِيَتِ الْكَعْبَةُ هَذِهِ الْكِسْوَةَ قَالَ كَانَ يَتَصَدَّقُ بِهَا ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 851Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ فِي الضَّحَايَا وَالْبُدْنِ الثَّنِيُّ فَمَا فَوْقَهُ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 852Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ لاَ يَشُقُّ جِلاَلَ بُدْنِهِ وَلاَ يُجَلِّلُهَا حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 853Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ لاَ يُهْدِيَنَّ أَحَدُكُمْ مِنَ الْبُدْنِ شَيْئًا يَسْتَحْيِي أَنْ يُهْدِيَهُ لِكَرِيمِهِ فَإِنَّ اللَّهَ أَكْرَمُ الْكُرَمَاءِ وَأَحَقُّ مَنِ اخْتِيرَ لَهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ কুরবানীর উট পাঁচ বা ততোধিক বৎসর বয়সের হইতে হইবে। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) তাহার কুরবানীর উটের কাপড়-চোপড় মিনা আরাফাতে না যাওয়া পর্যন্ত ছিড়িতেন না বা পরাইতেন না। হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি স্বীয় পুত্রগণকে বলিতেনঃ বৎসগণ আল্লাহর নামে তোমরা এমন উট কুরবানী দিও না একজন দোস্তকে যাহা দিতে লজ্জা কর। আল্লাহ্ তাআলা সবচাইতে সম্মানিত। সুতরাং সর্বোত্তম বস্তুই তাহার জন্য নির্বাচন করা উচিত।

  • মুওয়াত্তা মালিক 854Salim al-Hilali: সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ صَاحِبَ، هَدْىِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ أَصْنَعُ بِمَا عَطِبَ مِنَ الْهَدْىِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كُلُّ بَدَنَةٍ عَطِبَتْ مِنَ الْهَدْىِ فَانْحَرْهَا ثُمَّ أَلْقِ قِلاَدَتَهَا فِي دَمِهَا ثُمَّ خَلِّ بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ يَأْكُلُونَهَا ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫১. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদয়ী নিয়া যাইতেছিল সেই ব্যক্তি তাহাকে বলিলঃ পথে যদি হাদয়ীর কোন একটি মারা যাওয়ার উপক্রম হয় তবে কি করিব? তিনি বলিলেন, এমন হইতে দেখিলে ঐ পশুটিকে 'নাহর' করিয়া গলায় বাধা হারটি রক্ত মাখাইয়া রাখিয়া দিবে। ইহাতে লোকগণ ইহার গোশত খাইয়া নিতে পরিবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 855Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ سَاقَ بَدَنَةً تَطَوُّعًا فَعَطِبَتْ فَنَحَرَهَا ثُمَّ خَلَّى بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ يَأْكُلُونَهَا فَلَيْسَ عَلَيْهِ شَىْءٌ وَإِنْ أَكَلَ مِنْهَا أَوْ أَمَرَ مَنْ يَأْكُلُ مِنْهَا غَرِمَهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫২. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি হাদয়ী নিয়া রওয়ানা হইয়াছে, সে যদি ইহাকে পথে মরিয়া যাইতে দেখে, তবে নাহর করিয়া রাখিয়া দিবে, যাহাতে লোকজন উহা খাইয়া নিতে পারে। ঐ ব্যক্তির কোন বদলা দিতে হইবে না। কিন্তু ইহার গোশত নিজে খাইলে বা অন্য কাহাকেও খাইতে বলিলে বদলা দিতে হইবে। মালিক (রহঃ) সাওর ইবন যায়দ দীলি (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেনঃ আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-ও উপরিউক্ত মত ব্যক্ত করিয়াছেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 856Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 857Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ أَهْدَى بَدَنَةً جَزَاءً أَوْ نَذْرًا أَوْ هَدْىَ تَمَتُّعٍ فَأُصِيبَتْ فِي الطَّرِيقِ فَعَلَيْهِ الْبَدَلُ ‏.‏

  • মুওয়াত্তা মালিক 858Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ أَهْدَى بَدَنَةً ثُمَّ ضَلَّتْ أَوْ مَاتَتْ فَإِنَّهَا إِنْ كَانَتْ نَذْرًا أَبْدَلَهَا وَإِنْ كَانَتْ تَطَوُّعًا فَإِنْ شَاءَ أَبْدَلَهَا وَإِنْ شَاءَ تَرَكَهَا ‏.‏ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ لاَ يَأْكُلُ صَاحِبُ الْهَدْىِ مِنَ الْجَزَاءِ وَالنُّسُكِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৩. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ কাফফারা, মানত বা হজ্জে তামাত্তু'র কুরবানীর উট লইয়া রওয়ানা হওয়ার পর পথে যদি মারা যায় বা নষ্ট হইয়া যায় তবে ইহার পরিবর্তে আরেকটি উট কুরবানী দিতে হইবে। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেনঃ কুরবানীর পশু পথে মারা গেলে বা হারাইয়া গেলে উহা মানতের হইয়া থাকিলে ইহার পরিবর্তে আরেকটি কুরবানী দিতে হইবে, আর নফলী হইয়া থাকিলে আরেকটি কুরবানী দেওয়া না দেওয়া মালিকের ইচ্ছাধীন থাকিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি বিজ্ঞ আলিমগণকে বলিতে শুনিয়াছেন, শাস্তিস্বরূপ অথবা ইহরামের পরিপন্থী পরিচ্ছন্নতা ও আরাম-আয়েশ গ্রহণ করার দরুন যে হাদয়ী (কুরবানী) ওয়াজিব হয় উহা হইতে কুরবানী প্রদানকারী আহার করিবে না।

  • মুওয়াত্তা মালিক 859Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَعَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، وَأَبَا، هُرَيْرَةَ سُئِلُوا عَنْ رَجُلٍ، أَصَابَ أَهْلَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ بِالْحَجِّ فَقَالُوا يَنْفُذَانِ يَمْضِيَانِ لِوَجْهِهِمَا حَتَّى يَقْضِيَا حَجَّهُمَا ثُمَّ عَلَيْهِمَا حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْىُ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَإِذَا أَهَلاَّ بِالْحَجِّ مِنْ عَامٍ قَابِلٍ تَفَرَّقَا حَتَّى يَقْضِيَا حَجَّهُمَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৪. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ), আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল- ইহরাম অবস্থায় কেউ যদি স্ত্রীর সহিত সহবাস করে তবে সে কি করিবে? তাহারা বলিলেনঃ স্বামী-স্ত্রী উভয়েই হজ্জের অবশিষ্ট রুকনগুলি আদায় করিয়া হজ্জ পুরা করিবে। আগামী বৎসর তাহাদিগকে পুনরায় হজ্জ করিতে হইবে এবং কুরবানী দিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধিলে হজ্জ পুরা না হওয়া পর্যন্ত তাহারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে আলাদা আলাদা থাকিবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 860Salim al-Hilali: Maqtu Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يَقُولُ مَا تَرَوْنَ فِي رَجُلٍ وَقَعَ بِامْرَأَتِهِ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَلَمْ يَقُلْ لَهُ الْقَوْمُ شَيْئًا فَقَالَ سَعِيدٌ إِنَّ رَجُلاً وَقَعَ بِامْرَأَتِهِ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَبَعَثَ إِلَى الْمَدِينَةِ يَسْأَلُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ يُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا إِلَى عَامٍ قَابِلٍ ‏.‏ فَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ لِيَنْفُذَا لِوَجْهِهِمَا فَلْيُتِمَّا حَجَّهُمَا الَّذِي أَفْسَدَاهُ فَإِذَا فَرَغَا رَجَعَا فَإِنْ أَدْرَكَهُمَا حَجٌّ قَابِلٌ فَعَلَيْهِمَا الْحَجُّ وَالْهَدْىُ وَيُهِلاَّنِ مِنْ حَيْثُ أَهَلاَّ بِحَجِّهِمَا الَّذِي أَفْسَدَاهُ ‏.‏ وَيَتَفَرَّقَانِ حَتَّى يَقْضِيَا حَجَّهُمَا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ يُهْدِيَانِ جَمِيعًا بَدَنَةً بَدَنَةً ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ وَقَعَ بِامْرَأَتِهِ فِي الْحَجِّ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَنْ يَدْفَعَ مِنْ عَرَفَةَ وَيَرْمِيَ الْجَمْرَةَ إِنَّهُ يَجِبُ عَلَيْهِ الْهَدْىُ وَحَجُّ قَابِلٍ قَالَ فَإِنْ كَانَتْ إِصَابَتُهُ أَهْلَهُ بَعْدَ رَمْىِ الْجَمْرَةِ فَإِنَّمَا عَلَيْهِ أَنْ يَعْتَمِرَ وَيُهْدِيَ وَلَيْسَ عَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَالَّذِي يُفْسِدُ الْحَجَّ أَوِ الْعُمْرَةَ حَتَّى يَجِبَ عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ الْهَدْىُ فِي الْحَجِّ أَوِ الْعُمْرَةِ الْتِقَاءُ الْخِتَانَيْنِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ مَاءٌ دَافِقٌ ‏.‏ قَالَ وَيُوجِبُ ذَلِكَ أَيْضًا الْمَاءُ الدَّافِقُ إِذَا كَانَ مِنْ مُبَاشَرَةٍ فَأَمَّا رَجُلٌ ذَكَرَ شَيْئًا حَتَّى خَرَجَ مِنْهُ مَاءٌ دَافِقٌ فَلاَ أَرَى عَلَيْهِ شَيْئًا وَلَوْ أَنَّ رَجُلاً قَبَّلَ امْرَأَتَهُ وَلَمْ يَكُنْ مِنْ ذَلِكَ مَاءٌ دَافِقٌ لَمْ يَكُنْ عَلَيْهِ فِي الْقُبْلَةِ إِلاَّ الْهَدْىُ وَلَيْسَ عَلَى الْمَرْأَةِ الَّتِي يُصِيبُهَا زَوْجُهَا وَهِيَ مُحْرِمَةٌ مِرَارًا فِي الْحَجِّ أَوِ الْعُمْرَةِ وَهِيَ لَهُ فِي ذَلِكَ مُطَاوِعَةٌ إِلاَّ الْهَدْىُ وَحَجُّ قَابِلٍ إِنْ أَصَابَهَا فِي الْحَجِّ وَإِنْ كَانَ أَصَابَهَا فِي الْعُمْرَةِ فَإِنَّمَا عَلَيْهَا قَضَاءُ الْعُمْرَةِ الَّتِي أَفْسَدَتْ وَالْهَدْىُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৫. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-এর নিকট শুনিয়াছেন- তিনি সমবেত লোকদেরকে লক্ষ করিয়া বলিতেছিলেনঃ ইহরাম অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করে তাহার সম্পর্কে তোমরা কি বল? উপস্থিত সকলেই চুপ হইয়া রহিলেন। শেষে সাঈদ (রহঃ) নিজেই বলিলেনঃ এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করিয়াছিল। পরে সে এই সম্পর্কে মাসআলা জিজ্ঞাসার জন্য এক ব্যক্তিকে মদীনায় প্রেরণ করে। কেউ কেউ জবাব দিলেনঃ স্বামী-স্ত্রী এক বৎসর পর্যন্ত উভয়েই আলাদা হইয়া থাকিবে। কিন্তু সাঈদ (রহঃ) বললেনঃ এই বৎসর তাহারা হজ্জে অবশিষ্ট কাজসমূহ পুরা করবে। পরের বৎসর জীবিত থাকিলে পুনরায় হজ্জ করিবে এবং কুরবানী দিবে। প্রথম হজ্জের ইহরাম যে স্থান হইতে বাঁধিয়াছিল এই হজ্জের ইহরামও সেই স্থান হইতে বাঁধিবে। আর কাযা হজ্জ করিতে যখন আসিবে তখন উভয়েই তাহারা হজ্জ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আলাদা আলাদা থাকিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উভয়কেই এক একটি করিয়া কুরবানী করিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরাফাতে অবস্থানের পর এবং প্রস্তর নিক্ষেপের পূর্বে যদি কেউ স্ত্রী সহবাস করে তবে তাহার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হইবে এবং আগামী বৎসর পুনরায় তাহাকে হজ্জ করিতে হইবে। রমিয়ে হাজর বা প্রস্তর নিক্ষেপের পর যদি স্ত্রী সহবাস করে, তবে তাহাকে একটি উমরা এবং একটি কুরবানী করিতে হইবে। পরেরবার পুনরায় হজ্জ করিতে হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্খলন না হইয়া শুধু পুরুষাঙ্গ প্রবিষ্ট হইলেও হজ্জ ও উমরা বিনষ্ট হইয়া যাইবে এবং হাদয়ী ওয়াজিব হইবে। প্রবিষ্ট না হইয়াও যদি রতিলীলায় স্খলন হইয়া যায় তবুও হজ্জ বিনষ্ট হইয়া যাইবে। আর কল্পনা করার দরুন যদি কাহারও স্বলন হইয়া যায় তবে ইহাতে কিছুই ওয়াজিব হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ স্ত্রীকে চুমা খাইলে স্খলন না হইলেও তাহার উপর কুরবানী ওয়াজিব হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন মুহরিম মহিলার স্বামী যদি তাহার সম্মতিক্রমে তাহার সঙ্গে হজ্জ ও উমরার মধ্যে কয়েকবার সহবাস করে তবে ঐ মহিলাকে পরের বৎসর এই হজ্জের কায আদায় করিতে হইবে এবং কুরবানী দিতে হইবে। আর এইরূপ সহবাস উমরার মধ্যে হইলেও অতি সত্বর উমরা কাযা করিতে হইবে ও কুরবানী দিতে হইবে।

  • মুওয়াত্তা মালিক 861Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ الأَنْصَارِيَّ، خَرَجَ حَاجًّا حَتَّى إِذَا كَانَ بِالنَّازِيَةِ مِنْ طَرِيقِ مَكَّةَ أَضَلَّ رَوَاحِلَهُ وَإِنَّهُ قَدِمَ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ يَوْمَ النَّحْرِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ عُمَرُ اصْنَعْ كَمَا يَصْنَعُ الْمُعْتَمِرُ ثُمَّ قَدْ حَلَلْتَ فَإِذَا أَدْرَكَكَ الْحَجُّ قَابِلاً فَاحْجُجْ وَأَهْدِ مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْىِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৬. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রাঃ) বর্ণনা করেন, আবু আইয়ুব আনসারী (রহঃ) হজ্জের নিয়তে রওয়ানা হইয়াছিলেন। মক্কার পথে নাযিয়া নামক স্থানে পৌছার পর তাহার উটটি হারাইয়া যায়। নাহর দিবস অর্থাৎ দশ তারিখে তিনি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইয়া ঘটনা বিবৃত করলেন। তখন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেনঃ এখন উমরা করিয়৷ ইহরাম খুলিয়া ফেল। আগামী বৎসর হজ্জ করিয়া নিও এবং সামর্থ্যানুসারে একটি কুরবানী করিও।

  • মুওয়াত্তা মালিক 862Salim al-Hilali: Mauquf Daif

    وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ هَبَّارَ بْنَ الأَسْوَدِ، جَاءَ يَوْمَ النَّحْرِ وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَنْحَرُ هَدْيَهُ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَخْطَأْنَا الْعِدَّةَ كُنَّا نُرَى أَنَّ هَذَا الْيَوْمَ يَوْمُ عَرَفَةَ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ اذْهَبْ إِلَى مَكَّةَ فَطُفْ أَنْتَ وَمَنْ مَعَكَ وَانْحَرُوا هَدْيًا إِنْ كَانَ مَعَكُمْ ثُمَّ احْلِقُوا أَوْ قَصِّرُوا وَارْجِعُوا فَإِذَا كَانَ عَامٌ قَابِلٌ فَحُجُّوا وَأَهْدُوا فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ قَرَنَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ ثُمَّ فَاتَهُ الْحَجُّ فَعَلَيْهِ أَنْ يَحُجَّ قَابِلاً وَيَقْرِنُ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ وَيُهْدِي هَدْيَيْنِ هَدْيًا لِقِرَانِهِ الْحَجَّ مَعَ الْعُمْرَةِ وَهَدْيًا لِمَا فَاتَهُ مِنَ الْحَجِّ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৭. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রাঃ) বর্ণনা করেন- ইয়াওমুন-নাহারে অর্থাৎ দশ তারিখে হাব্বার ইবন আসওয়াদ (রাঃ) হজ্জের জন্য আসিয়া পৌছেন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তখন তাহার কুরবানীর পশুগুলির নাহর করিতেছিলেন। হাব্বার বলিলেনঃ আমীরুল মু'মিনীন! তারিখের ব্যাপারে আমাদের ভুল হইয়া গিয়াছে। আমরা ধারণা করিয়াছিলাম আজ আরাফাতের দিন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেনঃ তুমি সঙ্গিগণসহ মক্কায় চলিয়া যাও এবং তাওয়াফ করিয়া নাও। কোন কুরবানীর পশু সঙ্গে থাকিলে উহার কুরবানী করিয়া ফেল। পরে মাথা কামাইয়া বা চুল ছাঁটাইয়া বাড়ি ফিরিয়া যাও। আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জ করিবে এবং কুরবানী দিবে। যাহার কুরবানী করার সামর্থ্য নাই সে তিনদিন হজ্জের সময় এবং বাড়ি ফিরিয়া সাতদিন রোযা রাখিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হজ্জে কিরানের ইহরাম বাঁধার পর যদি হজ্জ না পায়, তবে পরের বৎসরও হজ্জে কিরান করিবে এবং তাহকে দুইটি কুরবানী দিতে হইবে- একটি হজ্জে কিরানের আর একটি গত বৎসর হজ্জ না পাওয়ার।

  • মুওয়াত্তা মালিক 863Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ، وَقَعَ بِأَهْلِهِ وَهُوَ بِمِنًى قَبْلَ أَنْ يُفِيضَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَنْحَرَ بَدَنَةً ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৮. আতা ইবন রাবাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হইল, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মিনাতে তাওয়াফে ইফাযার পূর্বে স্ত্রী সহবাস করিয়াছে, তিনি তাহাকে একটি উট কুরবানী করিতে হুকুম দেন।

  • মুওয়াত্তা মালিক 864Salim al-Hilali: Mauquf Sahih

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لاَ أَظُنُّهُ إِلاَّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ الَّذِي يُصِيبُ أَهْلَهُ قَبْلَ أَنْ يُفِيضَ يَعْتَمِرُ وَيُهْدِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫৯. ইকরামা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ তাওয়াফে ষিয়ারত করার পূর্বে কেউ যদি স্ত্রীসহবাস করে তবে তাহাকে উমরা এবং কুরবানী করিতে হইবে।